বিপ্লবী সব্যসাচী পত্রিকা অনলাইন : জেলায় প্রায় প্রতিটি স্কুলেই চার থেকে পাঁচ জন শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী কোর্টের রায়ে চাকরি হারিয়েছেন। দেশের শীর্ষ আদালতের রায় সামনে আসতেই রাজ্যের স্কুলগুলিতে কার্যত শ্মশানের চেহারা নেয়। স্টাফরুমে শোকের পরিবেশ, সহকর্মীদের জড়িয়ে ধরে কান্না, কারও নির্বাক বসে থাকা। এমনই চিত্র পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে বিভিন্ন স্কুলগুলিতে। তারই পাশাপাশি প্রশ্ন পড়ুয়াদের পড়াবে কে? একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ে একজন করে শিক্ষক থাকেন। ওই শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ায় শিক্ষক শূন্য হয়ে পড়েছে স্কুল। চিন্তা বাড়িয়েছে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। ঘুম ছুটেছে প্রধান শিক্ষকদেরও। কিভাবে পড়াশোনা হবে স্কুলে? বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন। সরকারের কাছে দাবি জানাবে বিকল্প ব্যবস্থার।
আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন… প্রতি মুহূর্তের লাইভ খবরের আপডেট পেতে ফলো করুন বিপ্লবী সব্যসাচী নিউজ
ঝটিতি খবর পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন :
For WhatsApp Group : Click Here

2/4. পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রায় প্রতিটি স্কুলেই চাকরি হারিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী। তেঘরী, মৌপাল, মধুপুর, গুড়গুড়িপাল চাঁদড়া, গোয়ালতোড় সহ বিভিন্ন স্কুলে এখন মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিষয়ভিত্তিক পড়ানোর শিক্ষক নিয়ে। জানা গিয়েছে, নবম-দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক একজন করে শিক্ষক থাকেন। সেই শিক্ষক যদি চাকরি হারান তার পরিবর্তে ওই বিষয় পড়াবেন কে? মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পরই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে স্কুলগুলিতে।
আরও পড়ুন : ময়নার স্কুলে ১৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল
আরও পড়ুন : থানার অভ্যন্তরে মহিলাদের মারধরের প্রতিবাদে জেলা শাসক দপ্তর অভিযানে এসইউসিআই


3/4.একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ পড়ুয়াদেরও ক্লাস হবে। কিন্তু শিক্ষক কোথায়? নবম ও দশম শ্রেণীর বিভিন্ন বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক থাকছে না অনেক স্কুলে। তাদের পড়াশোনার ভবিষ্যতে কি হবে যা নিয়ে চিন্তা বাড়িয়েছে প্রধান শিক্ষকদের। মেদিনীপুর সদরের গুড়গুড়িপাল উচ্চ বিদ্যালয়ে ফিজিক্সের দুই শিক্ষক, ভূগোলের একজন চাকরি হারিয়েছেন। চাঁদড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দর্শনের একজন, তেঘরি উচ্চ বিদ্যালয় এডুকেশন, ভূগোল, রসায়ন বিষয়ের তিন জন শিক্ষক চাকরি হারিয়েছেন। ওই স্কুলগুলিতে ওই বিষয় পড়ানোর শিক্ষক নেই। এই চিত্র প্রায় সমস্ত স্কুলেই দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন : বনদপ্তরের বার্তা মেনেই রক্তপাতহীন শিকার উৎসব মেদিনীপুরে
আরও পড়ুন : হাতি দেখতে গিয়ে জখম গড়বেতার এক যুবক, ফসলের দফারফা মেদিনীপুর সদরে
4/4.বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাবে সোসাইটি ফর হেডমাস্টার এন্ড হেডমিস্ট্রেস সংগঠন। সংগঠনের পক্ষ থেকে অমিতেশ চৌধুরী জানান, “বিষয়টি খুব উদ্বেগের। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকলে কিভাবে পড়াশোনা হবে? আমরা অথৈ জলে পড়ে গেলাম। আমাদের কাছে পুরো অন্ধকার। একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি আমরা কিভাবে নেব, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকলে। অনেক স্কুলে একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীতে কারও ক্লাস শুরু হয়েছে, কারও হবে। তারাও অন্ধকারে। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন জানাবো দ্রুত এর সমাধান করতে।” বেশিরভাগ স্কুলেই বিষয়ভিত্তিক পড়ানোর শিক্ষক রইলেন না।
লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/biplabisabyasachi
Education Department
– Biplabi Sabyasachi Largest Bengali Newspaper