বিপ্লবী সব্যসাচী পত্রিকা অনলাইন : ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেল বাতিলের নির্দেশে দিশেহারা চাকরি হারানো শিক্ষকেরা। হতাশা সামলে লাগাতার বিক্ষোভ মেদিনীপুর শহরের রাস্তায়। শহরে মিছিল করে জেলাশাসক দপ্তরের সামনে শুক্রবারের পর শনিবারও বিক্ষোভ দেখালেন তারা। নিজেদের ডিগ্রির প্রতিলিপিও পোড়ানো হয়। তারা বলেন, “ক্ষমতায় আমরাই এনেছিলাম, আমরাই নামাতে পারবো। শান্তভাবেও যেমন বলতে পারি, রাজ্যকেও জ্বালিয়ে দিতে পারি।”
আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন… প্রতি মুহূর্তের লাইভ খবরের আপডেট পেতে ফলো করুন বিপ্লবী সব্যসাচী নিউজ
ঝটিতি খবর পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন :
For WhatsApp Group : Click Here

2/4.শনিবার দুপুরে মেদিনীপুর শহরের রাস্তায় ফের একইভাবে শুক্রবারের মতোই মিছিল নিয়ে বের হয়েছিলেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ। তবে এবার তাদের প্রতিবাদী মিছিলে ছিল তাদের পরিবারের ছোট বাচ্চারাও। তাদের কোলে নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হলেন শিক্ষক-শিক্ষিকা সকলে। এক শিক্ষিকা জানান, “ব্যাংকের লোন নিয়ে বাড়ি করেছি। আমি তো লোনের কিস্তি শোধ করতে পারবো না এবার। ফলে আমাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে হবে। রাস্তায় তো সেই দাঁড়াতে হবে বাচ্চাকে নিয়ে। এখন থেকেই তাই বাচ্চাকে নিয়ে রাস্তায় নামলাম।”
আরও পড়ুন : ময়নার স্কুলে ১৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল
আরও পড়ুন : থানার অভ্যন্তরে মহিলাদের মারধরের প্রতিবাদে জেলা শাসক দপ্তর অভিযানে এসইউসিআই
3/4. একইরকম দাবি আরও অন্যান্য শিক্ষকদের। রাজ্য সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। চাকরি হারিয়ে উমা দাস বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন সমাজকে যত ভেঙেচুরে দিতে পারব, তত ওনার দলের ক্যাডার তৈরি করতে পারবেন। কারণ শিক্ষিত না হলেই ওনার দলের পেছনে ঝান্ডা ধরে ঘুরবে। ওই জন্য উনি কোন শিক্ষক চাননি, শিক্ষিত মানুষকেও রাখতে চাননি। যে কারণে আমাদেরকে বাছেননি যোগ্য হিসেবে। আজ আমাদেরকে পথে বসিয়েছেন। শুধু আজ আমরা নয়, আমাদের ছেলেমেয়েরা এর শিকার হচ্ছে। আমরা মাসের পর মাস ওয়াই চ্যানেলে আন্দোলন করেছি। শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি করেছিলাম।
আরও পড়ুন : বনদপ্তরের বার্তা মেনেই রক্তপাতহীন শিকার উৎসব মেদিনীপুরে
আরও পড়ুন : হাতি দেখতে গিয়ে জখম গড়বেতার এক যুবক, ফসলের দফারফা মেদিনীপুর সদরে
4/4. আমরা বলেছিলাম যোগ্য-আযোগ্য আলাদা করুন। ওয়াই চ্যানেলে এসে হস্তক্ষেপ করুন। উনি একবারও আসেননি। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেওয়ার পরে ওনার এত দরদ কি করে হয়ে গেল? সবাইকে বলছেন আসুন, এখানে বসুন। হাতে ললিপপ ধরানো হবে। আমরা যাব না। আমরা যেমন কলমে লিখতে পারি, সেই রকম হাতে অস্ত্র ধরতেও পারি।” আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, “সসম্মানে চাকরিতে যদি ফেরত না যেতে পারি, তাহলে কাউকেই ভালো রাখবো না। শান্তভাবেও যেমন বলতে পারি, তেমনি রাজ্যকেও জ্বালিয়ে দিতে পারি।”
লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/biplabisabyasachi
Education Department
– Biplabi Sabyasachi Largest Bengali Newspaper