Home » Police Brutality : মেদিনীপুরে মহিলা থানার অভ্যন্তরে মহিলাদের নির্যাতনের প্রমাণ, ‘মোমকাণ্ডে’ পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

Police Brutality : মেদিনীপুরে মহিলা থানার অভ্যন্তরে মহিলাদের নির্যাতনের প্রমাণ, ‘মোমকাণ্ডে’ পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

by Biplabi Sabyasachi
0 comments

বিপ্লবী সব্যসাচী পত্রিকা অনলাইন : মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় হাইকোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য। মহিলা থানা পুনর্গঠন করতে বলল হাইকোর্ট। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর গাড়িতে আহত হন এক ছাত্র। তারই প্রতিবাদে গত ৩ রা মার্চ ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। মেদিনীপুর শহরের মেদিনীপুর কলেজ ও বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল এবং পিকেটিং করে এসএফআই ও ডিএসও কর্মী সমর্থকরা। সেই সময় মেদিনীপুর কলেজ গেট থেকে এসএফআই নেত্রী সুচরিতা দাসকে আটক করে নিয়ে যায় কোতয়ালি থানার পুলিশ।

আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন… প্রতি মুহূর্তের লাইভ খবরের আপডেট পেতে ফলো করুন বিপ্লবী সব্যসাচী নিউজ

ঝটিতি খবর পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন :

For WhatsApp Group : Click Here

2/4.মহিলা থানায় নিয়ে গিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে। অন্যদিকে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় গেটে মিছিল করে পৌঁছাতেই ডিএসও কর্মী সমর্থকদের আটক করে নিয়ে যায় কোতয়ালি থানার পুলিশ। পরে মহিলা কর্মীদের মহিলা থানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদের উপর অকথ্য অত্যাচার এমনকি গরম মোম শরীরে ফেলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় সুশ্রীতা সোরেন নামে এক ডিএসও নেত্রী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। জোড়া মামলার শুনানিতে রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারক। রাত দুটোর সময় থানা থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক শূন্য, পড়াবে কে?

আরও পড়ুন : হাতি দেখতে গিয়ে জখম গড়বেতার এক যুবক, ফসলের দফারফা মেদিনীপুর সদরে

3/4. ওই মহিলাদের রাত দুটোই কেন ছাড়া হল, সন্ধ্যা সাতটা-আটটায় কেন ছাড়া গেলো না? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এসএফআইয়ের করা মামলায় আইপিএস মুরলীধর শর্মাকে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। সেই রিপোর্টও জমা পড়েছে আদালতে। ওই রিপোর্ট দেখে অন্য মামলার শুনানির মধ্যে বৃহস্পতিবার উপস্থিত রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বিচারক বলেন, “মেদিনীপুর মহিলা থানার ভূমিকা ঠিক নয়, ডিজিকে বলুন এখনই ব্যবস্থা নিতে। না হলে আমি কড়া নির্দেশ দিতে বাধ্য হব।”

আরও পড়ুন : ময়নার স্কুলে ১৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল

আরও পড়ুন : থানার অভ্যন্তরে মহিলাদের মারধরের প্রতিবাদে জেলা শাসক দপ্তর অভিযানে এসইউসিআই

4/4.তিনি আরও বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ আমি দেখেছি। নির্যাতনের প্রমাণ আছে। কাউকে আটক বা গ্রেফতার করে অত্যাচার করা এবং সেই অত্যাচার করে উল্লসিত হওয়া চলতে পারে না‌।” এমনকি ১৭ ঘন্টার মধ্যে ১৩ ঘণ্টার ফুটেজ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান বিচারপতি। তিনি বলেন, “সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেছি থানায় মোম দেখা গিয়েছে। ছাত্রীর চুলের মুঠি ধরে ছিলেন এক পুলিশ কর্মী।” যদিও রাজ্যের যুক্তি, “থানায় কাগজ সিল করা এবং মশার ধূপ জ্বালানোর জন্য মোম রাখা ছিল।” সুশ্রীতা সোরেনের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চ্যাটার্জী আদালতে বলেন, “সরকারের বলবার মতো কিছু নেই। তার জন্য তারা কেসটা থেকে পালাতে চাইছেন। অনর্থক বিলম্ব করছেন।”

লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/biplabisabyasachi

Police Department

– Biplabi Sabyasachi Largest Bengali Newspaper

You may also like

Leave a Comment

Adblock Detected

Please support us by disabling your AdBlocker extension from your browsers for our website.