বিপ্লবী সব্যসাচী পত্রিকা অনলাইন: পরিযায়ী হাতির দল স্থায়ীভাবে থেকে গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলগুলিতে। সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি দেখা গিয়েছে ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। দু’দশকেই প্রায় তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে হাতির সংখ্যা। বাড়েনি জঙ্গল! সংস্কার হয়নি জঙ্গলে থাকা জলাশয়গুলি। পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সেই সমস্ত জলাশয়গুলি সংস্কারের উদ্যোগ নিল বনদপ্তর। মেদিনীপুর বনবিভাগের চাঁদড়া রেঞ্জের শুকনাখালি ও গোলগোলচটির জঙ্গলের মধ্যে থাকা দুটি জলাশয় সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। বনদপ্তর থেকে জানা গিয়েছে, কয়েক দশক আগে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল বৃষ্টির জল ধারণের জন্য।
আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন… প্রতি মুহূর্তের লাইভ খবরের আপডেট পেতে ফলো করুন বিপ্লবী সব্যসাচী নিউজ
ঝটিতি খবর পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন :
For WhatsApp Group : Click Here

একদিকে বন্য পশুপাখি সহ সুবিধা হয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। অন্যদিকে রোধ করা গিয়েছিল মৃত্তিকা ক্ষয়। বর্তমানে ওই জলাশয়গুলি পলি মাটি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

সারা বছর থাকছে না জল। সমস্যায় বন্য পশুপাখি সহ হাতিরা। প্রাপ্তবয়স্ক হাতির প্রতিদিন জল প্রয়োজন প্রায় ১০০ লিটার। এর বাইরে প্রয়োজন শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য জলের। এত পরিমাণ জলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে
আরও পড়ুন : মৌমাছির তাণ্ডবে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটডোর গেট বন্ধ, আহত চিকিৎসক-রোগী একাধিক

জঙ্গলগুলিতে। চাঁদড়া রেঞ্জের শুকনাখালি ও গোলগোলচটির জঙ্গলে সবচেয়ে বেশি হাতিরা অবস্থান করে। ওই দুটি জলাশয় ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন করে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। জলাশয়ের দুটি পাড় বাঁধানো হবে সিমেন্ট দিয়ে।
আরও পড়ুন : চোর সন্দেহে গণপ্রহার! ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে প্রাণ হারালেন ইঞ্জিনিয়ার সৌম্যদীপ

চাঁদড়া রেঞ্জের আধিকারিক লক্ষ্মীকান্ত মাহাতো জানিয়েছেন, শুকনাখালিতে ১০০/৬০ মিটার এবং গোলগোলচটিতে ১৭০/৪০ মিটার আয়তনের দুটি জলাশয় সংস্কার হচ্ছে হাতি সহ বন্য পশুপাখিদের সুবিধার্থে।
লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/biplabisabyasachi
Elephant water
Biplabi Sabyasachi Largest Bengali Newspaper