অশান্ত জঙ্গলমহল, তৃণমূল নেতা খুন অভিযুক্ত বিজেপি ও সিপিএম

0
382
ঘটনা স্থলে পুলিশ কুকুর দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ঝাড়গ্রামে। মৃত তৃণমূল নেতার নাম পবিত্র ষড়ঙ্গী। মঙ্গলবার সকালে ঝাড়গ্রামের সত্যডিহি থেকে পবিত্র ষড়ঙ্গীর দেহ উদ্ধার করা হয়। তৃণমূলের তরফে খুনের ঘটনায় সিপিএম ও বিজেপিকে দায়ী করা হয়েছে। যদিও দুই দলের তরফে খনের পেছনে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বকেই দায়ী করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে মোটরবাইকে করে বেরিয়েছিলেন চন্দন ষড়ঙ্গী। যাওয়ার কথা ছিল আত্মীয়ের বাড়ি। রাতে তিনি বাড়ি না ফেরায় খোঁজ খবর শুরু হয়। যদিও তখন তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সকালে ঝাড়গ্রাম ও জামবনি থানার সীমানার সত্যডিহির চাষের জমি থেকে পবিত্র ষড়ঙ্গীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করা হয়। পবিত্র ষড়ঙ্গীর দাদা প্রসূন ষড়ঙ্গী জেলা তৃণমুলের কোর কমিটির নেতা। সকালে তিনিই গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। পরে দেহটি ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভাইকে রাজনৈতিক কারণেই খুন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রসূনের দাদা। এজন্য সিপিএম ও বিজেপিকে তিনি দায়ী করেছেন। ২০০২ সালে পবিত্র ষড়ঙ্গীর বাবা মোহিনীমোহন ষড়ঙ্গীকে প্রথমে গুলি করে পরে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। সেই ঘটনায় সিপিএম জড়িত ছিল বলে অভিযোগ প্রসূন ষড়ঙ্গীর। সেই সময় সিপিএম করা লোকজনই এখন বিজেপির সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছেন তিনি। জেলা সিপিএম ও বিজেপির তরফে অবশ্য খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি তৃণমুলের অন্তর্দ্বন্দ্বেই খুন হয়েছেন পবিত্র ষড়ঙ্গী।

সকালে জমিতে কাজ করতে গিয়ে এলাকাবাসী একজনের ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখতে পান। পুলিশ গিয়ে শনাক্ত করে সোমবার থেকে নিখোঁজ তৃণমুল নেতা চন্দন ষড়ঙ্গীর দেহ। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠায়।

ঝাড়গ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবারের লোকেরা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে l তদন্তের স্বার্থে আনা হয় পুলিশ কুকুর রুবি কে l ঘটনাস্হলে পৌঁছায় ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার অমিত কুমার ভরত রাঠৌর , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশ্বজীত মাহাত, এসডিপিও দীপক সরকার, ঝাড়গ্রাম থানার আই.সি l

পুলিশ কুকুর কে আনার পর ঘটনাস্হল থেকে পাওয়া চন্দন বাবুর চটি,ব্যাগ, ও অনান্য সামগ্রী শুঁকিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় l পুলিশ কুকুর হত্যাকারীদের রুট টি চিহ্নিত করে অর্থাত্‍ কোন পথে এসে ছিল কোন পথে গেছে lকিন্তু ঘটনা স্হলে হত্যাকারী দের কোন জিনিস পড়ে না থাকায় আর কিছু শনাক্ত করতে পারেনি lতবে হত্যাকারী দের রুট চিহ্নিত করার ফলে কিছুটা সুবিধা হয়েছে বলে আশা করছে জেলা পুলিশ l