পর্যটকদের ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঠেকাতে মান্দারমণিতে শুরু হল লক্ষণরেখার কাজ

0
360
ছবিঃ ওয়েব ডেস্ক

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ বেড়াতে গিয়ে পর্যটকদের একাংশ বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। সমুদ্রে ডুবে বিপদও ডেকে এনেছেন অনেকে। এ বার সেই বিপদ আটকাতে উদ্যোগী হল প্রশাসন।

সৈকতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঠেকাতে সমুদ্রে লক্ষ্মণরেখা টানার কথা আগেই ঘোষণা করেছিল রাজ্য পর্যটন দফতর। সেই কাজ শুরু হয়েছে। ওল্ড দিঘা, নিউ দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর এবং শংকরপুরে বিপদসীমা চিহ্নিত করার জন্য সমুদ্রে হলুদ বেলুনের লক্ষ্মণরেখা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ২০ ফুট করে লম্বা হলুদ রঙের বিশালাকার সেই বেলুনে ‘‌ডু নট ক্রস দ্য লাইন’‌ সতর্কবার্তাটি লেখা থাকবে। পর্যটকরা স্নানে নেমে ওই সীমা অতিক্রম করতে পারবেন না। সেই নিয়ম না মানলে পর্যটকদের গ্রেফতারও করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রশাসন।

এ বিষয়ে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের সদস্য এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস বলেন, “পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই সীমা নির্ধারণের ফলে পর্যটকদের একাংশের বেপরোয়া হওয়ার প্রবণতা কমবে। বিপদের ঝুঁকিও থাকবে না।” কাঁথির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ইন্দ্রজিত্‍ বসু সতর্ক করেছেন, এই সীমা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দুই দিঘায় ৩০টি, মন্দারমণিতে ১৫টি এবং তাজপুর থেকে শঙ্করপুর পর্যন্ত ১৫টি বেলুন, মোট ৬০টি বেলুন দেওয়া হবে। এই বেলুনগুলির জন্য ১৯ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই ব্যবস্থা আগে থেকেই করা হয়েছে বকখালিতে। এ বার সেই তালিকায় নাম লেখাল পূর্ব মেদিনীপুরও।