অবশেষে খুলল সিপিএম অফিস

0
836

্পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ধাক্কাটা এসেছিল ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলন পর্বেই। নন্দীগ্রাম, খেজুরি সহ পূর্ব মেদিনীপুর বিস্তীর্ণ এলাকায় সিপিএমের একের পর এক কার্যালয় বন্ধের সেই শুরু। তারপর বহুভোট গিয়েছে আর রক্তক্ষরণ বেড়েছে বামেদের। নন্দীগ্রামের সেই জেলাতেই এবার উলটপূরাণ। দীর্ঘ চারবছর তালাবন্ধ থাকার পর পটাশপুর ১ ব্লকে সিপিএমের সিংদা জোনাল অফিস কার্যালয় খুলল। এলাকার সিপিএমের প্রভাব সেভাবে বেড়েছে বলে গত পঞ্চায়েত ভোটের প্রমান মেলেনি। তাই এই কার্যালয় খোলার পিছনে অন্য সমীকরণ দেখতে পাচ্ছেন রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা।

২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের পরেই একদা শক্ত ঘাঁটিতে পটাশপুর ‘ঘরছাড়া’ হয় সিপিএম। তালা পড়ে কার্যলয়ে । সিংদা বাজার থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে পাশের পটাশপুর ২ ব্লকে এক দলীয় নেতার বাড়ি ভাড়া নিয়ে শুরু হয় সিংদা জোনাল কার্যালয়ের কাজকর্ম। গত প্রায় চার বছর এভাবেই চলছে। অস্থায়ী ঐ কার্যালয় থেকেই পরবর্তী ভোটগুলিতে কাজকর্ম পরিচালনা করেছেন স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব। তবে গত পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত সিংদার দলীয় অফিস খোলার চেষ্টা করেও সফল হয়নি বামেরা। অবশেষে নভেম্বর বিপ্লব দিবসকে সামনে রেখে গত ৭নভেম্বর সিংদার বন্ধ কার্যালয় খোলা হয়েছে। সাংগঠনিক কাঠামো বদলে যাওয়ায় এখন তা সিপিএমের এরিয়া অফিস হয়েছে। তালা খোলার পরে দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে পতাকা তোলা হয়, স্থানীয় ব আজারে মিছিলও করেন সিপিএম কর্মী সমর্থকরা। ঐ একই দিনে পটাশপুরের মংলামাড়ো বাজারে পুরানো লোকাল কমিটির অফিসও খোলা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এটি এখন শাখা অফিস হিসেবে কাজ করছে।