কেন্দ্রের বর্তমান অর্থনীতির তীব্র সমালোচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী

0
228

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ বিগত দিনের মতো সাদা কালো রঙ দেখে নয়, ব্যাঙ্কের হিসাব হয় নির্দিষ্ট অডিটের মাধ্যমে। রবিবার বিদ্যাসাগর কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ৪৭তম সাধারন সভায় যোগ দিতে এসে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী তথা ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান শুভেন্দু অধিকারী। শহরের জেলা পরিষদের প্রদ্যোৎ ভবনে এদিন তিনি একটি এটিএমও ভ্যানের উদ্বোধন করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বাবু বলেন, ২০১১ সালের আগে যাঁরা ব্যাঙ্ক চালাতেন তাঁরা সাদা কালো রঙ দেখে ব্যাঙ্কের হিসাব মেলাতেন কিন্তু তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর সাদা বা কালো রঙ দেখে ব্যাঙ্কের হিসাব মেলানো হয় না। নির্দিষ্ট নিয়মে অডিট হয় এবং ব্যাংকের হিসাব দেওয়া হয় এবং সেই সব তথ্য সাধারণসভা ও সম্মেলনের মাধ্যমে জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয়। বিগত দিনে যে শাসক দল ব্যাঙ্ক চালাতেন তখন কোনও অডিট বা হিসাব পত্র ছিল না। মন্ত্রী আরও বলেন ২০১৬ সালে হঠাৎ নোটবন্দী করে বহু মানুষের অসুবিধা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বহুমানুষ, কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমেদাবাদ ডিসট্রিক্ট সেণ্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এই নোট বন্দীর ব্যাপারটা জেনে গিয়েছিল তাই এক সপ্তাহের মধ্যেই তারা ৭২৮ কোটি টাকা বদলে ফেলেছিল। শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন এটা কিভাবে সম্ভব হয়? এই একতরফা বিচার ভারতবর্ষের অর্থনীতিতে ইন্দিরা গান্ধীও কখনও হতে দেননি। তিনি হাত দেননি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাজেও, কিন্তু এই সরকার তার উল্টো। এরা ১৩২ দিনে ১৩২ রকমের সার্কুলার জারি করেছে সকাল সন্ধ্যা মিলিয়ে। যা সম্পুর্ণভাবে অগণতান্ত্রিক। ব্যাঙ্কের সভায় তাঁর বক্তব্যে শুভেন্দু অধিকারী প্রথম থেকেই ছিলেন বেশ আক্রমণাত্মক। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তোপ দেগেছেন। সভায় শুভেন্দু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভাইস্‌ চেয়ারম্যান সন্দীপ ঘোষ, বিধায়ক প্রদ্যোৎ ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিং হাজরা, সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি পরিচালক মণ্ডলীর সদস্য মধুসূদন গাঁতাইত, অঞ্জন বেরা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ। এছাড়াও ছিলেন বাংকের সর্বস্তরের অফিসার ও কর্মচারীরা।