খড়গপুরে আদিবাসী কিশোরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য

0
299
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ১১ বছরের এক আদিবাসী কিশোরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে হতভম্ব তার পরিবার। খড়গপুর শরের নিমপুরা এলাকায় কুষ্ঠ কলোনির বাসিন্দা মুরমু পরিবারের মেয়ে সনিয়াকে নিজেদের বাড়ির একটি কক্ষ থেকেই ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরিবারের লোকেরা। শুক্রবার বিকাল ৫টা নাগাদ তাকে উদ্ধার করে তারা খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিতসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে।
সনিয়ার বাবা বুদ্ধেশ্বর মুরমু জানিয়েছেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাই। ছেলেমেদের পড়াশুনাও করাই। আমার মেয়ে প্রিয়নাথ হাইস্কুলে ফাইভে পড়ত। বিকাল ৫টার সময় এসে দেখি এক কান্ড। বাকি ছেলে মেয়েরা এতটাই ছোট যে বুঝতেই পারেনি তাদের দিদি অন্য ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে। আমার বাচ্চারা বলছে বিকাল সাড়ে তিনটা অবধি তারা দিদির সাথে খেলেছে। মেয়ের সঙ্গে আমাদের কোনও ঝগড়া, মনোমালিন্য হয়নি। যাবার সময়ও দেখে গেছি সে স্বাভাবিক ছিল। দ্বায়িত্ব নিয়ে ভাই বোনদের খাইয়েছে এবং তাদের সঙ্গে খেলেওছে। এরপর কি এমন ঘটল যে সে আত্মহত্যা করতে গেল? এটা কি আদৌ আত্মহত্যা নাকি খুন বুঝেই উঠতে পারছি না। আমরা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছি এই ঘটনায়।
পুলিশ জানিয়েছ, সনিয়ার ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপন অনেক কিছুই নির্ভর করছে তবে প্রাথমিকভাবে বাইরে থেকে তার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন ছিল না। সে কারও দ্বারা অপমানিত হয়েছিল নাকি খেলার ছলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।