ঘাটালে অজানা জ্বরে আক্রান্ত শতাধিক, বসেছে মেডিক্যাল টিম

0
147

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ঘাটালে অজানা জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক । গ্রামে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। আক্রান্তদের রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। জ্বরের সঙ্গে মাথা ঝিমুনি ও গা হাত পা ব্যাথা। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট না হাতে পেলে পরিস্কার করে বলতে পারছেন না, কীধরনের জ্বর এটি। জানা গেছে,গত দুদিনে দাসপুর ২ নং ব্লকের রানীচক গ্রাম ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় একশ জনেরও বেশি এই অজানা জ্বর নিয়ে ভর্তি দাসপুর গ্রামীন হাসপাতাল ও ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ, মহিলা, শিশুরাও রয়েছেন। কয়েক মাস আগেই বন্যায় ডুবে থাকা ঘাটাল,দাসপুরে এখনও বন্যার ঘোলা জল নিকেশ হয়নি।বন্যায় ভেসে আসা আবর্জনা স্তুুপ,নোংরা এখনও অপরিষ্কার অবস্থায় পড়ে রয়েছে দাসপুরের রানীচক সহ বেশ কিছু গ্রামে।বন্যা কাটার পরপরই ঘাটাল,দাসপুরে জলবাহিত রোগের প্রকোপের আশঙ্কাছিল।বন্যার জল নামার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের তরফে বন্যা কবলিত এলাকায় বসানো হয়েছিল মেডিক্যাল ক্যাম্প।তবুও আটকানো গেলোনা অজানা জ্বরের প্রকোপ।দাসপুরের রানীচক গ্রামে সরকারী মতে ৫০ জন এই অজানা জ্বরে আক্রান্ত।স্থানীয়দের মতে সংখ্যাটা আরও বেশি।জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে তড়িঘড়ি এলাকায় পাঠানো হয় মেডিক্যাল টিম।দাসপুর গ্রামীন হাসপাতালের বিএমওএইচ সন্তু ঘোষের নেতৃত্বে মেডিক্যাল টিম এলাকায় যান। মেডিক্যাল টিমটি গ্রামে আক্রান্তদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন ।আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচ জনকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা দাসপুর গ্রামীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারীক গিরীশচন্দ্র বেরা বলেন,”রক্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবেনা।বিএমওএইচ এর কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।আতঙ্কের কিছু নেই।” বিএমওএইচ সন্তু ঘোষ বলেন,”রানীচক এলাকা বন্যা কবলিত। দূষিত জল থেকেও এমন হতে পারে।বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এ সংক্রান্ত রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানো হবে।এলাকায় মেডিক্যাল টিম তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে।ভয়ের কিছু নেই।”