সিপিমের হাতে শহিদ মনোরঞ্জন চৌধুরীর পুত্র শংকরকে গ্রামে প্রার্থী করে সম্মান জানাল তৃণমূল কংগ্রেস

0
946

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ সিপিএমের হাতে শহীদ মনোরঞ্জন চৌধুরীর পুত্র শংকরকে গ্রামে প্রার্থী করে সম্মান জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিএমের সন্ত্রাসের বলি হয়েছিলেন ডানপন্হীদলের মনোরঞ্জন চৌধুরী। মনোরঞ্জন বাবু কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি ছিলেন চন্দ্রকোনা ১ নং ব্লকে।  এছাড়াও মনোরঞ্জন বাবু ছিলেন সমাজসেবী ও প্রাথমিক শিক্ষক। লক্ষীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষীপুর গ্রামেই বাড়ি  শহীদ মনোরঞ্জন বাবুর। সিপিএমের সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করে কংগ্রস দলকে এগিয়ে নিয়ে যাছিলেন। মানুষের প্রতি জনসংযোগ নিবিড় ছিল। এলাকায় সিপিএমের প্রতি অাস্থা হারাচ্ছিল মানুষ সেই জায়গায় মনোরঞ্জন বাবু জনপ্রিয় হচ্ছিলেন। ১৯৯৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঐ এলাকায় ভাল ফল করায় সিপিএমের রাগ গিয়ে পড়ে মনোরঞ্জন বাবুর উপর। সিপিএমের দুষ্কৃতকারীরা  ১৯৯৮ সালে ১ লা জুলাই বাড়ির সামনে তীরবীদ্ধ করে খুন করে মনোরঞ্জন বাবুকে। কিন্তু খুন হওয়ার পরও চৌধুরী পরিবার দমে যায় নি। সিপিএমের কাছে অাত্মসমর্পন করেনি পরিবারটি। কংগ্রেসি ঘরানাকে অাকড়ে ধরে এগিয়েছেন। পরে পরিবারটি মমতা ব্যানার্জীর অার্দশে অনুপ্রানিত হয়ে তৃণমূলে যোগদান করে। তৃণমূলের হয়ে প্রচার শুরু করে। যোগ্য মর্যাদা দিয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থেকে প্রার্থী করেছে তার পুত্র শংকর প্রসাদ চৌধুরীকে। মনোরঞ্জন বাবুর সহধর্মীনি অঞ্জলি চৌধুরী জানান, সিপিএমের সন্ত্রাস ভুলে যায়নি। সিপিএম অামার চোখের সামনেই লক্ষীপুর গ্রামেই  নারকীয় ভাবে হত্যা করেছিল। কিন্তু অামরা দমে যায়নি। মাথা উঁচু করে ছেলেদের নিয়ে দাঁতে দাঁত চিmaonoপে এগিয়ে গেছি। অামার স্বামীর অাত্মত্যাগে সম্মান জানিয়ে তৃণমূল ছেলেকে প্রার্থী করেছে। এতে খুশি অামি। কারন মানুষের পাশে থেকে মানুষের উপকার করুক এটাই চাইত ওর বাবা। কিন্তু সিপিএম সরিয়ে দিল। যাতে গরীব মানুষরা গরীবই থাকে। গরীব মানুষের পাশে  সুখে দু:খে সব সময় থাকতেন তাই খুন করে দিল ওকে। অামি চাই স্বামীর অসমাপ্ত কাজকে সমপূর্ন করবে অামার ছেলে এবং মানুষের সেবায় কাজ করবে। মনোরঞ্জন বাবুর সুযোগ্য পুত্র লক্ষীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  তৃণমুল প্রার্থী শংকর প্রসাদ চৌধুরী বলেন, কলেজ থেকে ডানপন্থী দল করি। সিপিএমের সন্ত্রাসের শিকার হয়েছি বার বার। বাবাকে সামনে সিপিএমের হাতে খুন হতে দেখেছি। মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং মমতা ব্যানার্জীর উন্নয়নটা বাড়ি বাড়ি পৌছে দিতে চাই। শান্তিতে বাঁচতে চাই গ্রামের মানুষদের  সাথে পরিবারকে নিয়ে।