টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতার বাড়িতে আগুন, উত্তেজনা

0
805

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ তৃণমূলের বিধায়ক ঘনিষ্ঠ। এলাকায় যাবতীয় উন্নয়ন থেকে ক্লাবের দায়িত্ব ছিল তাঁর হাতেই। গ্রামের আদিবাসীরা জানতেনই না তাঁদের প্রকল্পের টাকা কারচুপি করেছে সেই নেতা। পরে হিসেব করতে গিয়ে ধরা পড়ে। ততদিনে এক পরস্ত্রীকে নিয়ে ফেরা সেই নেতা। ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা তাঁর বাড়ি ভাঙচূর করে আগুন লাগায় সোমবার। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরে আদিবাসী অধ্যুষিত শালবনি থানার ভালুকশোল গ্রামে। এই গ্রামের বাসিন্দা ছবিলাল মান্ডি স্থানীয় তৃণমূলের বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাত-র ঘনিষ্ট যে কারণে দলের আদিবাসীদের প্রতিনিধি হিসেবে এসটি সেলের নেতার পদ পেয়েছিল। পরে জেলার যুব নেতা হিসাবেও পদ পেয়েছিল ২০১৪ থেকে। কম শিক্ষিত আদিবাসীদের গ্রামের মোড়ল হিসেবে সমস্ত কার্য পরিচালনা করতো। গ্রামের বাসিন্দারা পরে জানতে পারেন তিন দফাতে গ্রামের ক্লাবের উন্নয়নের টাকা, যা সরকারের যুব দফতর থেকে দেওয়া হয়েছিল, তা আত্মসাত করেছে। গ্রামের লোকজন তার হিসেব চাইতে, হুমকি দিয়ে সকলকে বসিয়ে রাখার করেছিল। এরই মাধে কয়েক মাস আগে ঐ তৃণমূল নেতা গ্রামের বিভিন্ন কারচুপি ও গণ্ডগোলে তার নামে শালবানি থানাতে অভিযোগ দায়ের হয়। কিন্তু শালবনি বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাত ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে তিনি গ্রেফতারি এড়িয়ে ফেরার ছিলেন। সোমবার রাতে গ্রামবাসীরা জানতে পারে সে বাড়িতে ফিরেছে। তাঁর বাড়ি ঘেরাও করলেও কোনো ভাবে পালাতে সক্ষম হয় ছবিলাল। উত্তেজিত গ্রামবসীরা মঙ্গলবার সকালে জমায়েত হয়ে তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগায়। গ্রামের উত্তেজনার খবর পেয়ে ছুটে যায় শালবনি থানার পুলিশ ও দমকল। ততক্ষণে আদিবাসী গ্রামবাসীরা গ্রামের পাশে থাকা রাস্তা অবরোধ করেছে। আদিবাসীদের দাবি- ছবিলাল মান্ডিকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। শালবনি থানার পুলিশ সকলকে বুঝিয়ে পরিস্থিত সামাল দেয়। এবিষয়ে শালবনি পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা নেপাল সিংহ বলেন, “বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলে আমরা দলের কাজে তেমন নিই না। একটা সময় ছিল, এখন ওর ভূমিকা বিশেষ বলতে পারছি না।