সুপার ব্লু-ব্লাড মুন পর্যবেক্ষণে শহরে শিবির করল ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি

0
619

পত্রিকা পত্রিকা ঃ সপারমুন, ব্লু মুন, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই তিন মহাজাগতিক ঘটনা একসঙ্গে  দেখা গেল আজ বুধবার। একসঙ্গে তিনটি ঘটনার সম্মিলিত এই বিরল ঘটনাটি এর আগে ঘটেছিল প্রায় একশ বাহান্ন বছর আগে। সুপারমুন এর অর্থ অতিকায় চাঁদ। চাঁদ তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর খুব কাছে চলে এলে চাঁদকে বেশ বড়সড় দেখায়। একেই বলা হয় সুপারমুন। এদিনের চাঁদকে তার স্বাভাবিকের তুলনায় চৌদ্দগুণ বড় এবং ত্রিশ শতাংশ উজ্জ্বল দেখা যায়। চাঁদ,পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় এসে চাঁদে গ্রহণ লেগে পূর্ণগ্রাস হলে সূর্য্যের শুধুমাত্র লাল আলো বিচ্ছুরিত হয়ে চাঁদে পড়ে  (র‍্যালে স্ক্যাটারিং) চাঁদ ধীরে ধীরে লালচে হয়ে ওঠে। একে বলা হয় ব্লাড মুন। এই মাসে পরপর দুবার পূর্ণিমা ও ব্লাড মুনের এই ঘটনাকে একসঙ্গে বলা হয় সুপার-ব্লু-ব্লাড মুন।
এই সুপার-ব্লু-ব্লাড মুন টেলিস্কোপের সাহায্যে পর্যবেক্ষণের জন্যই মেদিনীপুর শহরের পুরনো গির্জার মাঠে শিবির করে ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি দেবাশীষ আইচ, সম্পাদক সিদ্ধার্থশংকর ঘাঁটা, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সত্যজিত সাহা, তপন দাস, তন্ময় মাইতি প্রমুখ। এছাড়াও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী শিক্ষক সহ স্থানীয় দেড় শতাধিক মানুষ এই শিবিরের মাধ্যমে বিরল এই মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে। এছাড়া জেলার মোট কুড়ি টি জায়গায় এরকম শিবির করা হয়। সংগঠনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক দেবাশীষ আইচ বলেন–” মহাকাশ গবেষণা বিজ্ঞানকে যেমন এগোতে সাহায্য করে তেমনি এ বিষয়ে চর্চা আমাদের সমাজে বিদ্যমান নানান কুসংস্কার ও ভুল ধারণা ভাঙতে সাহায্য করে। আমাদের এই শিবিরগুলো আমরা সেই লক্ষ্যেই পরিচালিত করছি।”