যাদের সঙ্গে জমির সম্পর্ক নেই, তারাই আদালতে যায়, লাভ হয় নিঃ শুভেন্দু

0
378

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন ব্যাঞ্চের রায়কে স্বাগত জানালেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বিকেলে নন্দকুমার হাইস্কুল মাঠে ভিড়ে ঠাসা প্রকাশ্য জনসভাতে বক্তব্য পেশ করতে উঠে মন্ত্রী বলেন,”আমরা আদালতের ওপর আস্থাশীল। ধন্যবাদ জানাবো গণতন্ত্রের এই মহান উৎসব ভোটের নির্দেশ দেওয়ার জন্য। আদালত বলেছে, ভোট হবে। আপনারা ভোট দেবেন। আর তাতে তৃণমূল জিতবে।” মন্ত্রী এদিন বলেন,” ২০১৩ সালেও এই একই ঘটনার সমুখীন হয়েছিলাম আমরা। যাদের সঙ্গে জমির সম্পর্ক নেই, ১০০ দিনের কাজের সম্পর্ক নেই,গ্রামোন্নয়নের সম্পর্ক নেই ওরাই প্রতিবারে ভোট বন্ধের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি ওদের। ২০১৩ এর মতো এবারও আমরা বিপুল ভোটে জিতব।কারণ,মেলা থেকে খেলা বছরের পর বছর আমরা সর্বত্র থাকি। আমরা পরিযায়ী পাখি না। আমরা কেমন উন্নয়ন করতে হয় তা দেখিয়েছি।” নন্দকুমার ব্লকের ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। ব্লক তৃণমূলের এই সভাতে মন্ত্রী ছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন নন্দকুমারের বিধায়ক পঞ্চায়েত সমিতি প্রার্থী সুকুমার দে, ময়নার বিধায়ক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি  সংগ্রাম দোলোই, পাঁশকুড়ার পুরপিতা নন্দকুমার মিশ্র প্রমুখ। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ১৯৫২-৭৭ কংগ্রেস এবং ১৯৭৭- ২০১১ সাল পর্যন্ত বামফ্রন্ট সরকারের কর্মকান্ডের সঙ্গে ৭ বছরের তৃণমূল সরকারের কর্মকান্ডের তুলনা করে বলেন,” ৭ বছরে বাংলার বহু প্রাপ্তি ঘটেছে যা বিগত বাম-কংগ্রেসের জামানায় হয়নি। বামফ্রন্ট এখন নেই। হৃষিকেশ মাঝি, গোপাল মাইতিদের মতো প্রকৃত বামপন্থীরা এখন তৃণমূলের মঞ্চে। আর লক্ষ্মণ শেঠদের মতো হার্মাদ বামপন্থীরা লাল জামা খুলে এখন গেরুয়া জামা পরেছে। কংগ্রেস সাইনবোর্ড। যেটুকু মুর্শিদাবাদে ছিল তাও আমরা তুলে দিয়েছি। ভোটের আগেই ভোকাট্টা কংগ্রেস। যে ২২ টি আসনে ভোট হবে তাও আমরা জিতবো।