ছাত্রাবাসে দুই ছাত্রের মৃত্যু, বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি ছাত্র সংগঠনের

0
844

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ মাত্র একমাসের মধ্যে পর পর দুই নবম শ্রেনীর ছাত্রের বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে অস্বাভাবিক মৃত্যু কান্ডের পরেও একজনও আসামীকে  পুলিশ গ্রেফতার করতে না পারার প্রতিবাদে বুধবার পুর্ব মেদিনীপুরের জেলা শাসক ডঃ রশ্মী কোমল ও জেলার পুলিশ সুপার ভি নেশা  কুমারের কাছে ডেপুটেশান দেয় স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশান অফ ইন্ডিয়া।সংস্থার তরফে পুর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের  শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার  হাইস্কুলের দুই নবম শ্রেনীর ছাত্র সরিফুল গাজি ও সৌরভ গুড়ির অস্বাভাবিক মৃত্যু কান্ডে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।সংস্থার রাজ্য জনসংজোগ সম্পাদক সুজাউদ্দিন আহমেদ,সেখ  খালিদ আলি,ডঃ রিয়াজুদ্দিন,ইমরান আলি সহ প্রমুখ নেতৃত্ব এদিনের কর্মসূচীতে ছিলেন।প্রসংগতউত্তর ২৪ পরগনার কাটিয়াহার দক্ষিণ পাড়া থেকে পুর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের  শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার হাই স্কুলে পড়তে আসা  নবম শ্রেনীর ছাত্র সরিফুল গাজির  ঝুলন্ত মৃতদেহ গত ২০ এপ্রিল রাতে বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসের বাথরুমে গলায় গামছার ফাঁস লাগানো অবস্থায় বছর ১৪ এই নাবালক পড়ুয়ার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।আর তার জেরেই ছড়ায় উত্তেজনা।ঘটনার পর থেকেই অভিযোগ উঠতে শুরু করে পরিকল্পইত ভাবে সফুল গাজীকে খুন করা হয়েছে।পরে মৃত্যুর ঘটনাওকে ধামাচাপা দিতে এই ছাত্রের মৃতদেহ বাথরুমে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।এর রেশ কাটতে কাটতে চলতি মাসের ১৮ তারিখ দুপুরে  বিদ্যালয়ের বন্ধ ছাত্রাবাসের একটা রুমের  ভেতর  থেকে সৌরভ গুড়ি নামের অপর এক নবম শ্রেনীর ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।অভিযোগ উঠতে শুরু করে  সরিফুল গাজির অস্বাভাবিক মৃত্যু কান্ডে দোষীদের আড়াল করতেই এই ছাত্রকে বিদ্যালয়ে ডেকে খুন করা  হয়েছে।পরে মৃতদেহ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়ে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।