হাতির হানা রুখতে ছড়ানো হবে বিশেষ কেমিক্যাল, সিদ্ধান্ত বন দফতরের

0
147
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ হাতির দাপাদাপিতে নাজেহাল সাধারন মানূষ। গত দু’মাস ধরে শালবনি, গোয়ালতোড়, লালগড়, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর সদর প্রভৃতি এলাকায় হাতির পাল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে, উদ্বিগ্ন বনদফতর। বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর বনদফতরে এক বৈঠক হয়। বৈঠকে ছিলেন বনদফতরের সিসিএফ শক্তি শংকর দে, ডে এফ ও রবীন্দ্রনাথ সাহা, হাতি যেসব এলাকায় দাপাচ্ছে সেই এলাকায় জনপ্রতিনিধিরা । শক্তিশংকর দে অন্যান্য হাতিগুলিকে ১০-১৫ দিনের মধ্যে ঝাড়খন্ডের জঙ্গলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, তাছাড়া হাতির দাপাদাপি থেকে রেহাই পেতে এক ধরনের কেমিক্যাল মাদ্রাজ থেকে আনা হবে। সেই কেমিক্যালের গন্ধে হাতি আর সামনের দিকে এগোতে পারবে না। বিভিন্ন এলাকায় এই কেমিক্যাল স্প্র করে দেওয়া হবে যাতে হাতি লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। শক্তিশংকরবাবু আরও বলেন গতবছর হাতির আক্রমণে ৫জন মারা গিয়েছে এবার সেই সংখ্যাটা করে ২ হয়েছে, আমাদের লক্ষ্য একজনও যাতে হাতির আক্রমণে মারা না যায়। তবে হাতির দাপাদাপিতে ব্যাপকভাবে শষ্যহানি হচ্ছে। বিঘার পর বিঘা ধানজমি তছনছ হচ্ছে। বনদফতর সূত্রে খবর হাতি যে সব ফসল খেতে ভালোবাসে যেমন ধান, কলাগাছ, বট, অশ্বত্থ এসব গাছ ও জলাধার সহ ময়ূধর্না প্রজেক্ট সম্পূর্ন হলে হাতির হানা থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া যাবে। 
নিত্যদিন হাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শালবনি, গোয়ালতোড়, মেদিনীপুর সদর ব্লকের বিভিন্ন জায়গায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর ব্লকের এনায়েৎপুর, মনিদহ, কঙ্কাবতী প্রভৃতি এলাকায় হাতির বিকেল থেকেই দাপিয়ে বেড়িয়েছে। ধানজমি নষ্ট করার পাশাপাশি অন্যান্য সবজি খেত নষ্ট করেছে।