কোলাঘাটের সাগরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতে জোট জিতলেও আতঙ্কে কংগ্রেস কর্মীরা, পাশে দাঁড়ালেন অধীর

0
781

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ কোলাঘাট ব্লকের সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে দীর্ঘদিন কংগ্রেস তার দখলে রাখা পঞ্চায়েতটি ১৪ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস সিপিএমের জোট ৮ টি পেয়েও শেষমেষ কোনদিকে গতিপথ পরিবর্তন হয় সেই দিকেই তাকিয়ে এলাকার মানুষ।ভোট পরবর্তী চাপা আতঙ্ক এলাকায় আজও রয়েছে।কংগ্রেস নেতৃত্বরা সংবাদমাধ্যমের সামনে কোন মুখ খুলছে না।আর এই পরিস্থিতিতে বুধবার সাগরবাড় এলাকার নেতা কর্মীদের সাথে বড়দাবাড় গ্রামে দলীয় অফিসে প্রায় আধঘন্টা বৈঠক করলেন।এই বৈঠকে জেলা ও ব্লক  কংগ্রেসের নেতৃত্ব হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,সেক আনোয়ার আলি,পার্থ বটব্যাল,মহাদেব সেনগুপ্ত,দীপক পাত্র,সেক সামিম সহ স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব।এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর বাবুর সাথে উপস্থিত ছিলেন ওমপ্রকাশ মিশ্র সহ আরো বেশকিছু কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব।এদিন বৈঠকের পর অধীর বাবু সংবাদমাধ্যমকে জানান,সাগরবাড় এলাকায় পঞ্চায়েত জিতেও আতঙ্কে কাটাতে হচ্ছে কংগ্রেস নেতা কর্মীদের।বিভিন্ন পুলিশি কেশের ভয় দেখিয়ে অনেকে এলাকাছাড়া।আমরা সাগরবাড়ের নেতাকর্মীদের পাশে আছি।যেকোন লড়াই,অনশনে,আন্দলোনে রাজ্যনেতা সহ তিনি নিজেও পাশে থাকবেন বলে নেতা কর্মীদের জানান।অধীরবাবু রীতিমতো ক্ষোভের সাথে বলেন,সারা পূর্ব মেদিনীপুর সহ সারা বাংলা তৃনমূল দখল করেও সহ্য হচ্ছে না।বিরোধীরা সামান্য কিছু আসন পেয়েছে সেটাও সহ্য করতে পারছেন না।তৃনমূলকে কটাক্ষ করে সর্বভুক দল বলে অবিহিত করেন।তিনি বলেন সাগরবাড়ে কংগ্রেস বহু অত্যাচার,নিপিড়ন সহ্য করে গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয় লাভ করেও পঞ্চায়েত গঠন করতে চেয়েছিল।তাতেও শাসকদলের সমস্যা।এদিন মূখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন,মূখ্যৃন্ত্রী কর্নাটকে গেছেন গনতন্ত্র ফেরানোর উদ্দেশ্যে।কিন্তু এই বাংলায় তারই দ্বারায় গনতন্ত্র হত্যা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।নির্বাচনের আগে,নির্বাচনের সময় এবং নির্বাচনে জিতেও অত্যাচার চালাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।বাংলায় পর্রায় এককোটি পঁচাত্তর লক্ষ মানুষ তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন অধীর বাবু।আগামীদিন এই অত্যাচার বাংলার মানুষ মানবে না।সাধারন মানুষের চোখেমুখে এখনও আতঙ্কের ছাপ রয়েছে।তিনি আরো বলেন,আমরা কংগ্রেস দলকরছি মানে এই রাজ্যে কোন নিষিদ্ধ দলের কর্মী বলে মনে করে আমাদের।কংগ্রেস করাই যেন এবাংলায় অপরাধ।পুলিশকে নিয়ে সারাবাংলা জুড়ে অশান্তি,অত্যাচার,নিপিড়ন করে যাচ্ছে।তবে শেষ রক্ষা হবে না।২০২১ সালের মধ্যেই বুঝবেন এই বাংলার মানুষ তৃনমূল দলকে কোথায় রেখেছেন বা স্থান দিয়েছেন।এদিন বড়াদাবাড়ে বেশকিছুক্ষন নেতাকর্মীদের সাথে কাটিয়ে দুপুর একটা নাগাদ মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন অধীর বাবু।তবে এদিনের অধীরবাবুর অক্সিজেনে নেতাকর্মীরা অনেকটাই চাঙ্গা হন।