সাত বছরেই ৫০-৬০ বছরের কাজ করেছি, বিধায়ক মমতাকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

0
685

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ সাত বছরেই ৫০-৬০ বছরের কাজ করেছি। বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ লাইনে প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বৈঠকে দাসপুরের বিধায়ক মমতা ভূঞ্যা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি সেতু তৈরির আর্জি জানান। তখনই মুখ্যমন্ত্রী এই প্রত্যয়ী দাবি করেন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কথায়, “যে কাজগুলো হচ্ছে সেগুলো কেন চেপে যাচ্ছে। আরও নতুন করে দাবি করছে। আমাদের সরকার সাত বছরে ৫০-৭০ বছরের কাজ করে ফেলেছে। এত দাবি মেটানো সম্ভব নয়।” এদিনের বৈঠকে কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহাকে এক নেন মুখ্যমন্ত্রী। শিউলিদেবী নতুন একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দাবি জানালে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জেলায় জেলায় অনেক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গড়েছি। প্রতি ব্লকে তো এভাবে দাবি করলে দেওয়া সম্ভব নয়।” তারপরেই শিউলির প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ” এলাকায় যাও। মানুষের সঙ্গে আরও বেশি করে জনসংযোগ গড়ে তোলো। ভালো করে কাজ করো” বৈঠকে বিধায়ক তথা মেদিনীপুর-খড়গপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান মৃগেন মাইতি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, কংসাবতী নদী ভাঙনের ফলে নদী তীরবর্তী গ্রামগুলি তলিয়ে যাচ্ছে। ব্যবস্থা নিলে ভালো হয়। মুখ্যমন্ত্রী পালটা অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকার সাহায্য করছে না। ফলে ভাঙন রোধ করা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। “যদিও মৃগেনবাবুর দাবি মতো সমস্যা সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার ডেবরায় প্রশাসনিক জনসভা করে মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে রাতে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । রাতে দলের জেলা নেতাদের নিয়ে তিনি একপ্রস্থ আলোচনা করেন। বৃহস্পতিবার সারে ১২টা নাগাদ পুলিশ লাইনে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন দুই মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, সৌমেন মহাপাত্র, দুই সাংসদ মানস ভূঁঞ্যা ও উমা সরেন ছাড়াও বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহকারি সভাধিপতি ও কর্মাধ্যক্ষরা। ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি থেকে অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে এদিনই মুখ্যমন্ত্রী সড়ক পথে কলকাতা রওনা হন।