ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচটি গ্রামের ক্ষুব্ধ জনসাধারণের পথ অবরোধ, ব্যহত যান চলাচল

0
575
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ হাতির তান্ডবে যা যা ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করে রাখেন গ্রামবাসীরা । এদিন সকাল ১০টা থেকে মেদিনীপুর সদর ব্লকের কঙ্কাবতীতে চার-পাঁচটি গ্রামের লোকজন রাস্তা অবরোধ করে। সকাল ১০ টা থেকে অবরোধ চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। স্বাভাবিকভাবে স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা অফিসযাত্রী, সাধারণ মানুষ অবরোধের কবলে পড়ে গন্তব্যে পৌঁছতেই পারেননি। বন্ধ হয়ে যায় ঝাড়গ্রাম-মেদিনীপুরের যাঞ্চলাচল। পুলিশ গেলেও অবরোধ ওঠায়নি গ্রামবাসীরা। পরে বনদফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়। অবরোধ ওঠার পরও দুদিকে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের লম্বা লাইনের জ্যাম কাটতেও সময় লাগে। প্রায় ৬০-৭০টি হাতি গত ৪-৫ দিন ধরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। দিনের বেলায় হাতিগুলি জঙ্গলের ভেতরে থাকলেও বিকেল থেকেই লোকালয়ে চলে আসছে। ধানজমি তথনছ করছে। মঙ্গলবার কঙ্কাবতী ও লোহাটিকরির ৯টি বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দেয় হাতির পাল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ মূলত বনদফতর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ওপরই। স্থানীয় বাসিন্দা অরূপ নন্দী জানিয়েছে হাতিগুলিকে নির্দিষ্ট ভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তারিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে না বন দফতর, এলোমেলো ভাবে তাড়ানো হচ্ছে।। কোথায় কত ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তার হিসেব করা হচ্ছে না, তবে ক্ষতিপূরণ পারে কিভাবে? শ্যমল দোলই বলেন রোজই ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে না, জনপ্রতিনিধিদের বলতে গেলে ওনারা বলেন কোন ওর্ডার নেই, তবে কি ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না? এই সব কারনে প্রায় ৫-৬টি গ্রামের লোকজন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।