রসগোল্লা বাংলারই, জি আই-এর স্বীকৃতি পেয়ে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের খুশির জোয়ার

0
83
Advertisement
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ  রসগোল্লা তুমি কার ? বাংলার না ওড়িশার ? এই নিয়ে তর্ক চলছিল অনেক দিন ধরেই। এমনকী এই বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। অবশেষে শেষ হাসি কিন্তু হাসল বাংলাই। জয় হল নবীন ময়রার। ১৮৬৮ সালে  বাগবাজারের নবীন ময়রা-ই প্রথম রসগোল্লার আবিষ্কারক। 
দীর্ঘ লড়াইয়ে ওড়িশাকে হারিয়ে রসগোল্লার জি আই রেজিস্ট্রেশন জেতে নিল এই রাজ্য। জি আর জানিয়ে দিল রসগোল্লা বাংলার নিজস্ব সৃষ্টি, তা কোনভাবেই ওড়িশার নয়। বাঙালির অহংকার রসগোল্লা তাদের নিজস্ব বলে বেশ কয়েক বছর ধরে দাবি করে আসছে ওড়িশা। তাদের দাবি ছিল, পুরীর মন্দিরে রসগোল্লা মিষ্টিই নাকি জগন্নাথদেবকে ভোগ দিত তারা। তাই তারা রসগোল্লার অধিকার দাবি করে। কিন্তু বাংলা বলে, রসগোল্লা একেবারের বাংলার সৃষ্টি, ওড়িশায় জগন্নাথদেবকে যক্সে মিষ্টি ভোগ দেওয়া হয় তার সঙ্গে রসগোল্লার কোন সম্পর্ক নেই। জি আর ও রাজ্যের সেই দাবিতে আজ সিলমোহর দিল। বাংলার এই জয় খুশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা। পশ্চিমবং মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির জেলা সহ-সম্পাদক তথা শহরের রাজেন্দ্র মিষ্টান্ন ভান্ডারের কর্নধার বরুণ বিকাশ দে বলেন, রসগোল্লা যে বাংলার সৃষ্টি তা সকলেরই জানা। জি আর সংস্থা সিলমোহর দেওয়ায় আবার প্রমাণিত হল। বাংলার রসগোল্লা শুধু সারা দেশেই নয় বিদেশেও বন্দিত। এই রায়ে আমরা খুশি ও গর্বিত। রসগোল্লার মানোন্নয়ন আরও বৃদ্ধি করতে হবে বলে বরুণবাবু মত প্রকাশ করেন। শহরের জনতা জলপানের কর্ণধার উত্তম ফৌজদার বলেন। জি আর-সংস্থার এই রায়ে বাঙালি হিসাবে আমরা সবাই গর্বিত। মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী হিসেবে খুবই খুশি। রসগোল্লা যে বাংলার সৃষ্টি তা আবার প্রমানিত হল। আমাদের বাংলার রসগোল্লা কেবল ভারতবর্ষ নয়, ভারতবর্ষের বাইরেও বিভিন্ন দেশে সমাদৃত। সুতরাং রসগোল্লা বাংলারই এই খবরে অত্যন্ত খুশি বলে জানালেন উত্তমবাবু । এছাড়াও শহরের বিভিন্ন মিষ্টি দোকানের মালিকরা রসগোল্লা বাংলারই জি আই সংস্থার এই রায়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। এই খবরে জেলা জুড়ে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই খুশি। 
Advertisement