পুজোর মুখেও হাতির তাণ্ডব অব্যাহত, ফসল ও ঘরবাড়ি নষ্ট, ক্ষোভ গ্রামবাসীদের

0
306

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ পুজোর মুখেও হাতি নিয়ে যেন দুশ্চিন্তা কমছেই না জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের। গত প্রায় দু-মাস ধরে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন জঙ্গলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল। বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে হাতিগুলি বিভিন্ন জঙ্গলে ঘুরছে। সন্ধ্যা নামলেই হাতিগুলি ঢুকে যাচ্ছে লোকালয়ে। রবিবার রাত্রে গুড়গুড়িপাল গ্রামের বিস্তীর্ণ ধান জমিতে হাতির পাল নেমে তছনছ করে। সোমবার সকালে বনদফতরের লোকজন গ্রামে গেলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের বক্তব্য হাতিগুলি দীর্ঘ দু’মাস ধরে এলাকায় রয়েছে। হাতিগুলিকে তাড়িয়ে এজঙ্গল থেকে অন্যজঙ্গল, পুনরায় আগের জঙ্গলে তাড়িয়ে আনা হচ্ছে। এভাবেই চলছে হাতি তাড়ানোর কাজ। হাতিগুলিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনও উদ্যোগ নেই বনদফতরের। ফসল নষ্টের পাশাপাশি ঘরবাড়ি নষ্ট করছে, ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে। গুড়গুড়িপালের বাসিন্দা অরূপ নন্দী বললেন হাতি নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে তার সমাধানে বনদফতর উদ্যোগ নিচ্ছে না। অনেকসময় হুলাপার্টিকে হাতি তাড়ানোর প্রয়োজনীয় জিনিসও দিচ্ছে না। মেদিনীপুর বনবিভাগের অন্তর্গত যেসব জঙ্গলে হাতি রয়েছে সেগুলি হল (সোমবার এর তথ্য অনুযায়ী)- লালগড় রেঞ্জের কামরাঙ্গির জঙ্গলে ১৫-১৬টি, চাঁদড়া রেঞ্জের গাররাতে ২টি শুকনাখালিতে ৪০-৪৫টি , পিড়াকাটা রেঞ্জের জামিরগোটে ৮-১০টি হাতি, গোদাপিয়াশাল রেঞ্জের গোবরাশোলে ৩০-৩৫টি হাতি, আড়াবাড়ি রেঞ্জের মহিষডুবিতে ১টি হাতি রয়েছে। বনদফতরের পক্ষ থেকে বারংবার গ্রামবাসীদের সতর্ক থাকার আবেদন জানাচ্ছে।