শহরে উরুস উৎসবে সামিল হতে টেনে করে এলেন ওপার বাংলার মানুষ

0
510

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ  উপলক্ষ্য উরস উত্সব,আর এই উত্সব কে মাধ্যম করেই দুই বাংলা সৌভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয় l জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সামাজিক,অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ভাব বিনিময়ে একাত্ম হয় দুই বাংলা l উত্সব কে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের,বিভিন্ন রাজ্য থেকে ধর্মপ্রাণ লোকেরা এতে সমবেত হন l সামাজিক সাংস্কৃতিক মেল বন্ধনে এক হয় দুই বাংলা l
মওলা পাক হজরত সৈয়দ শাহ আলি আলকাদেরি (আ:) ১১৭ তম উরস উত্সব মেদিনীপুরে শুরু হয়েছে l হজরত মুহম্মদ (সা:) এর ৩২ তম এবং সুফি সাধনার আদি গুরু “বড় পিরসাহেব ” হজরত আব্দুল কাদের জিলানী (আ:) এর ১৯ তম বংশধর মহান সুফি সাধক বাংলা ১৩০৭ সনের (১৯০১ খ্রিঃ )৪ ফাল্গুন পরলোক গমন করেন l মওলা পাকের প্রপৌত্র বর্তমান সাজ্জাদানসীন “বড় হুজুর পাক “হজরত সৈয়দ শাহ রশিদ আলি আলকাদেরি র পরিচলনায় উরসপাক উপলক্ষ্যে মেদিনীপুরে জোড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ও দায়রা পাকে অনুষ্ঠিত হয় ধর্মীয় অলোচনা l বহু বক্তা মওলা পাকের জীবন ইতিহাস ও ইসলামের সারসত্য বিশ্লেষণ করেন l
     এবছরও  বাংলাদেশ থেকে বিশেষ স্পেশাল ট্রেনে করে বাংলাদেশিরা এসেছেন মেদিনীপুরে l এবছর যাত্রী সংখ্যা ২১৫৬ জন,যার মধ্যে পুরুষ -১২০৯ জন,মহিলা -৮৭৭ জন এবং শিশু ৭০ জন l শনিবার সকালে ট্রেনটি মেদিনীপুরে এলে স্বাগত জানায় মেদিনীপুরবাসি l শুধূ ট্রেনেই নয়,এবার ৯ টি স্পেশাল বাসে করে বাংলাদেশের পুণ্যার্থীরা এসেছেন উরুস উত্সবে l  ট্রেনের অন্যতম যাত্রী তথা বাংলদেশের রাজবাড়ির সাংসদ কামরুন নাহার চৌধুরী বলেন উরুস শুধূ একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়,সর্ব ধর্মের মিলনক্ষেত্র,এতে দুই বাংলা এক হয়,আলাপচারিতার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ভাব বিনিময় হয় l

     এদিন সকাল থেকেই জোড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ভক্তদের ব্যপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় l মসজিদে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য লম্বা লাইন পরে l উরুস উপলক্ষ্যে জোড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে বসেছে মেলা l মেদিনীপুর টাউন মুসলিম কমিটির সভাপতি সৈয়দ রাশদান আলি আলকাদেরি বলেন বছরের এই দিনটির জন্য আমরা সকলে মুখিয়ে থাকি,বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ মেদিনীপুরে সমবেত হন,সকলেই খুব মেতে ওঠেন এই উত্সবে l