কর্মরত অবস্থায় শিক্ষকের মৃত্যু হলে চাকরি পেতে পোষ্যকে বসতে হবে টেটে

0
313
ওয়েবসাইটের প্রতীক চিত্র

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ কর্মরত অবস্থায় কোনও শিক্ষকের মৃত্যতে মানবিক কারণে চাকরি পেতে হলেও এবার থেকে তাঁর পোষ্যকে ‘টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট’ বা টেট দিতে হবে। সোমবার এ কথা জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এতদিন এই ধরনের চাকরির ক্ষেত্রে পরীক্ষা দিতে হত না। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম মেনে টেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানান পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। পাশাপাশি ন্যাশান্যাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই-র নিয়ম মেনে সমস্ত যোগ্যতাও থাকতে হবে বলে জানান তিনি। মানিকবাবু বলেন, টেট উত্তীর্ণ হতে গেলে সাধারণ প্রার্থীদের যেখানে ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হয়, সেখানে ওই প্রার্থীরা ৫৫ শতাংশ পেলে উত্তীর্ণ হতে পারবেন। যাঁদের এই শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকবে না তাঁএর স্কুলের অন্য পদে নিয়োগ করা হবে।

শুরু হল প্রাথমিকের টেটের ফর্ম পূরণ

মানিকবাবু জানান, মঙ্গলবার ১০ অক্টোবর থেকে টেট এর আবেদন গ্রহণ করা শুরু হয়েছে। এদিন সকার দশটা থেকেই www.wbbpe.org এবং www.wbeed.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারছেন চাকরী প্রার্থীরা। টাকা জমা দিতে হবে অনলাইনে। ২৯ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহন করা হবে। এনসিটিই-র নিয়ম মেনে এবার উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর এবং প্রশিক্ষণ থাকা বাধ্যতামূলক। রাজ্যের সমস্ত প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের দিয়েই শূন্যপদ পূরণ করা যাবে বলেই আশাতীর।