সব দলের প্রার্থীর নামই ঘোষিত, প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন নিজের মতো করে

0
480
সিপিএম প্রার্থী রীতা মণ্ডল ভোট প্রচার করছেন
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ সবং বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন বেশ জমে উঠেছে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শুরু করে দিয়েছে প্রচার। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি বসে নেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও। তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপি সব দলই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। চলছে প্রচারাভিযানও। নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসবে প্রচারের মাত্রা ততই বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কোনও দলই এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দিতে রাজি নয়। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে বিরোধী দলগুলিও দেওয়াল লিখন, পথসভা, বুথ কমিটির বৈথক শুরু করে দিয়েছে। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির তৎপরতা তুঙ্গে।
গত বিধান্সভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে বামেদের সঙ্গে জোট করে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মানস ভূঁঞ্যা। মানসবাবু বর্তমানে তৃণমূলে যোগ দিয়ে রাজ্য সভার সাংসদ হয়েছেন। দলে সবং কেন্দ্রটি শূন্য হয়। উপ নির্বাচন ২১ ডিসেম্বর। রাজ্যের শাসক দল তৃণমুল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন মানস জায়া গীতারানী ভূঁঞ্যা। কংগ্রেসের চিরঞ্জীব ভৌমিক, সিপিএমের প্রার্থী হয়েছেন রীতা মণ্ডল ও বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অন্তরা ভট্টাচার্য। মানসবাবু তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বেশিরভাগ কংগ্রেস নেতা কর্মীই তৃণমুলে যোগ দিয়েছেন। মানসবাবু সবংয়ের দীর্ঘ দিনের বিধায়ক। তাঁর স্ত্রী প্রার্থী হওয়ায় স্বভাবতই উৎফুল্ল মানসবাবুর সঙ্গে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া নব্য তৃণমূলীরা। কিছুটা হতাশ আদি তৃণমূলীরা। তাতে রাজনীতিতে পোড় খাওয়া মানসবাবু সবাইকে ‘ম্যানেজ’ করে এক জোট করে নির্বাচনী বৈতরিণী থেকে স্ত্রীকে জেতাতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। এদিকে এখনও সবংয়ে সিপিএমের শক্ত সংগঠন রয়েছে। বাম প্রার্থীর নাম প্রথমেই ঘোষণা হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই জোরদার প্রচার শুরু করে দিয়েছে বাম শিবির। কংগ্রেস প্রার্থী চিরঞ্জীব ভৌমিক তরুন আইনজীবী। কংগ্রেসের যুব সংগঠনে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বাবা জয়ন্ত প্রকাশ ভৌমিক চেনা মুখ। এক সময় মানসবাবুর খুব কাছের মানুষ ছিলেন। দীর্ঘদিনের কংগ্রেস গড় ধরে রাখতে তার প্রচারে নেমেছে। সারা রাজ্যের সঙ্গে সবংয়েও বিজেপির প্রভাব বাড়ছে। প্রার্থী করেছে একদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি অন্তরা ভট্টাচার্যকে। তিনিও চেনা মুখ। ফলে প্রচারের লড়াই জমে উঠেছে।