শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার উপর যথেচ্ছ গাড়ি, দুর্ভোগ চরমে

0
1318

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ মেদিনীপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকগুলিতে পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যায় পড়ছেন শহরবাসী। শহরের বড়বাজার, স্কুলবাজার, কালেক্টরেট, পঞ্চুরচক, এল আই সি মোড়, কেরানীটোলা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় সাইকেল মোটর সাইকেল চারচাকার গাড়ি রাখার জন্য পার্কিং ব্যবস্থা নেই। ফলে শহরবাসীর দুর্ভোগ চরমে। বাধ্য হয়েই রাস্তার উপর, ফুটপাতে যানবাহন রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।

শহরের কালেক্টরেট মোড় এবং স্টেট ব্যাঙ্কের সামনে প্রতিদিন শয়ে শয়ে বাইক সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের গাড়ি রাখার জন্য কোনও বন্দোবস্তই করেন নি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। ফলে গ্রাহকরা রাস্তার পাশেই যানবাহন রেখে ব্যাঙ্কে কাজ সারছেন। রাস্তার পাশে হকারদের দোকান, তারপর যানবাহন রাখার ফলে রাস্তা সঙ্কুচিত হয়ে যানযট সৃষ্টি হয়। কোনও হেল দোল নেই প্রশাসন কিং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের। অবিলম্বে ওই এলাকায় যানবাহন রাখার জন্য পার্কিং ব্যবস্থা করার জোরালো দাবি উঠেছে। বর্তমানে শহরে একাধিক শপিংমল তৈরি হয়েছে অথচ শপিংমলগুলির সামনে পার্কিং ব্যবস্থা করা হয়নি। শপিংমলে যারা কেনাকাটা করতে আসেন তারা যানবাহন রাখবে কোথায় তার কোনও ব্যবস্থা না করেই শপিংমলগুলি গড়ে উঠেছে।

বর্তমানে শহরে একাধিক শপিংমল তৈরি হয়েছে অথচ শপিংমলগুলির সামনে পার্কিং ব্যবস্থা করা হয়নি। শপিংমলে যারা কেনাকাটা করতে আসেন তারা সানবাহন রাখবে কোথায় তার কোনও ব্যবস্থা না করেই শপিংমলগুলি গড়ে উঠেছে। ফলে রাস্তায় যানবাহন রেখে মানুষ শপিংমলে যাচ্ছেন। দুর্গাপুজো সহ বিভিন্ন উৎসবের সময় যখন শপিংমলে অত্যধিক ভিড় জমে তখন ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

মেদিনীপুর শহরের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র হল বড়বাজার। অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকা। অথচ বড়বাজার এলাকায় পার্কিং ব্যবস্থা নেই। ফলে সেখানেও ক্রেতা সাধারণকে চরম সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। স্কুলবাজার, সাহাভড়ং বাজার এলাকাতেও একই সমস্যা। বাণিজ্য এলাকাগুলিতে যানবাহন রাখার জন্য পার্কিং ব্যবস্থা বিভিন্ন শহরে থেকে থাকে। অথচ মেদিনীপুর শহরে তা নেই। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। পঞ্চুরচক এলাকায় একাধিক ব্যাঙ্ক, পোষ্ট অফিস সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিস রয়েছে। রাজাবাজারে ক্রেতা বিক্রেতা মিলে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয় প্রতিদিন সকালে। অথচ নেই কোনও পার্কিং এর ব্যবস্থা। ফলে দুর্ভোগের অন্ত নেই শহরবাসীড়।