তৃণমূল মারলে পাল্টা প্রতিরোধ, দাঁতনে মৃত বিজেপি কর্মীর শেষকৃত্যে এসে বললেন মুকুল

0
556
       পত্রিকা প্রতিনিধিঃ মানুষ অনেক আশা নিয়ে পরিবর্তন এনেছিলেন, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল গুণ্ডাগিরি করছে। অনেক কান্না হয়েছে, চোখের জল ঝরেছে, আর নয়, এবার চোখের থেকে আগুন বের করতে হবে। মারতে এলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দাঁতনের বিজেপি কর্মী বিপিন দাসের মরদেহ মালা দিয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া মুকুল রায়। পরের কর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য বলেন, আজকে যা লোক দেখলাম তাতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে দাঁতন থেকে তৃণমূল একটি সিটও পাবে না। 
     আক্রান্ত বিপিনবাবু কয়েকদিন কলকাতার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান। সোমবার তাঁর মরদেহ বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে দলীয় নেতৃত্ব শেষ শ্রদ্ধা জানান। মঙ্গলবার মৃতদেহ আনা হয় জেলা কার্যালয়ে। পরে নিয়ে যাওয়া হয় দাঁতনের কাঁটাপালে। মুকুলবাবু ছাড়াও আরও কয়েকজন সঙ্গে ছিলেন। বিপিন দাসের মৃতদেহ বেশ কিছুক্ষণ দাঁতনের দলীয় কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। মৃতদেহ নিয়ে দাঁতনের শোক মিছিলে যোগ দেন মুকুলবাবু ছাড়াও দলের জেলা সভাপতি সমিত দাস, সবং বিধানসভা উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী অন্তরা ভট্টাচার্য প্রমুখ। বিপিনবাবুর বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি নেতৃত্ব। পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় পাঁচ লক্ষ টাকা। বিজেপির অভিযোগ, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আক্রমণে বিপিনবাবুর মৃত্যু হয়েছে। ঐ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার, দাঁতনে বন্‌ধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।
      গত ৩০ নভেম্বর দাঁতনের কাঁটাপালে বিপিন দাসের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। তৃণমূল আশ্রিত দূষ্কৃতীরা বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি বিপিনবাবুকে বেধড়ক মারধর করে বলে বিজেপির অভিযোগ। বিপিনবাবু মাথায় গুরুতর আঘাত পান। মেদিনীপুর মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয় নি।