পুলিশকে স্বাক্ষী রেখে বিধবা যুবতী মামিমাকে বিয়ে করলো ভাগ্নে

0
2195
প্রতীক চিত্র
​পত্রিকা প্রতিনিধিঃ  মামার বিয়ে করার বৌ ঘরে তোলার পর থেকে মামিমার প্রেমে পড়ে যায় মামার বাড়িতে ছোটবেলা থেকে বড় হওয়ার ভাগ্নে। আর সেই প্রেম ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে ভাগ্নে মামিমাকে বিয়ে করার বাসনা জেগে ওঠে। কিন্ত বাধা হয়েছিলেন মামা। দুইজনের সম্পর্কের কথা পরিবারের লোকেরা জানতে পারলে শুরু হয় অশান্তি। শুধু তাই নয় ভগবানপুর থানার মামিমার ও ভাগ্নে অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। এই অভিযোগ দায়ের করেন ভাগ্নে মাসি সুমিএা ঘোড়াই। কিন্ত শেষ পর্ষন্ত ভাগ্নে মনবাঞ্ছা পুরন করে সয়ং ইশ্বর। হঠাৎ হৃদরোগের আক্রান্ত হয়েই মামার মৃত্যু হয়। মামার মৃত্যুর পরই মামিমার ও ভাগ্নে প্রেমের রাস্তার পরিস্কার হয়ে যায়। দুইজনের পরিবারের বাধা না মেনেই বিয়ে করার সিন্ধান্ত নেয়। বুধবার ভগবানপুরের রাম মন্দিরে গ্রামবাসী ও ভগবানপুর থানার পুলিশকে স্বাক্ষী রেখে যুবতী বিধবা মামিমার মানসী ঘোড়াই কপালে সিন্দুরপরিয়ে বিয়ে করে ময়না থানার কিয়ারানা গ্রামের ভাগ্নে পরিতোষ ঘোড়াই।ভগবানপুর থানার নোনাবিরামপুরে মামিমার ও ভাগ্নে প্রেম সম্পর্ক সকলেই মুখে মুখে। পুলিশ ও স্থানীয় সূএে জানাগেছে গত বারো বছর আগে পরিতোষের মামা পাশের গ্রামের এক মানসী সঙ্গে বিয়ে হয়। পরিতোষের বাড়ি ময়না থানার কিয়ানালা গ্রামের হলেও ছোটে বেলা থেকে মামার বাড়ি থেকেই পড়াশুনা করতো। বিয়ের মানসী দুটি সন্তান জন্ম গ্রহন করে। তারপরেই ভাগ্নে পরিতোষ ও মামিমার মানসী সঙ্গে একটি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর ভগবানপুর থানার মামিমার ও ভাগ্নে অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে এই মামলার দায়ের হয়। মুচি লেখার দিয়ে দুইজনের রেহাই পায়। তাতেই সেই সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি। গ্রামবাসীদের কথায় দুই আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরিতোষের মামা মৃত্যু হয়। এরপর তারপরিবারের মানসী সঙ্গে দেওয়ের বিয়ে দেওয়ার পস্তাব দেয়। কিন্তু তাতেই রাজী হয়নি মানসী ঘোড়াই। বুধবার দুইজনের স্থানীয় একটি রাম মন্দিরে বিয়ে করে নেয়।