আজ সম্পদের দেবী লক্ষীপুজো, দাম চড়া হলেও দেবী-বন্দনায় মেতেছেন গৃহস্থরা

0
103

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ আজ কোজাগরি লক্ষীপুজো। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গৃহস্থের ঘরে লক্ষীপুজোর আয়োজন হবে। তবে পুজোর জন্য ফল, ফুল ও অন্যান্য উপকরণ কিনতে হাত পুড়েছে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্তের মানুষজনের। ফল-ফুলের দাম বুধবার থেকেই ছিল অগ্নিমূল্য। অন্যান্য দিনের থেকে একপ্রকার দ্বিগুন দাম দিয়ে ফল ও অন্যান্য উপকরণ কিনতে হচ্ছে। ভাল আপেল কেজি প্রতি ১৫০-১৭০ টাকা, আঙুর ২০০ টাকা, নাসপাতি ১০০-১৪০ টাকা, আম প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, কলা ৬০-৮০ টাকা ডজন। এছাড়া গুড়, বাতাসা পুজোর উপকরণের দামও অনেকটাই বেড়েছে। লক্ষীপুজোর অন্যতম অপরিহার্য্য প্রসাদ হল নাড়ু। তাই প্রত্যেকেরই নারকেল প্রয়োজন। সেই সুযোগে নারকেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। একটা ছোট নারকেলও ২০-৩০ টাকায় বিকোচ্ছে। ঘটে দেওয়ার জন্য শিষ ডাবের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট শিষ ডাব ২০ টাকা আর বড় শিষ ডাক ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধানশিষ ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে শুধু ফলই নয়, ফুলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, গাঁদা ফুলের মালা ৭-৮ টাকার গুলো ১০-১২ টাকা। পদ্মফুল প্রতিপিস ২০ টাকা। বিক্রেতারা জানান বছরের এই সময়টা তাদের ফল ফুলের একটু বাড়তি চাহিদা থাকেই তাই দাম একটু বাড়ানো হয়েছে। এদিকে অধিকাংশ ক্রেতাই জানান সাধ্যের মধ্যে সাধ পূরন করতে অল্প অল্প করে সব জিনিস কিনতে হয়েছে। শুধু ফলমূলই নয়, লক্ষী প্রতিমার দামও আগের বছরের তুলনায় একটু বেশি। শহরের বিভিন্ন বাজারে লক্ষী প্রতিমার পসরা নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ১৫০-১২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এক একটি প্রতিমা। কিনছেনও সকলে।