ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি হলেন মাধবী, সহ-সভাধিপতি মধুসূদন

0
368

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ঝাড়গ্রামে একাধিক অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে যোগ দিতে এলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠান থেকে তার বক্তব্যে ছিল বিজেপি ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ। তিনি বলেন লোকসভা ভোটে উন্নয়নকে ইস্যু করেই এগোবে তৃণমূল। বিজেপি দাঙ্গা ছাড়া কিছুই জানে না। অমিত সাহ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে যে কথা বলছে সেটাই বিজেপির সংস্কৃতি। সমগ্র দেশে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কোনো বিকল্প নেই। সিপিএম এবং কংগ্রেসের স্বরুপও মানুষ জানে। তিন দলের জোটে তৃণমূলের জবাব শুধুই উন্নয়ন। তার বক্তব্যে উঠে আসে দুর্গা পূজায় ক্লাবগুলোকে সাহায্যের কথা। তিনি বলেন অনেকেই এর বিরোধিতা করছেন। দূর্গা পূজার কথা বলটা ঠিক নয়। আমরা বলি সমষ্টি ডেভলপমেন্ট। এটা উৎসব যেখানে দেখবেন অন্য ধর্মেরও মানুষ আসে ।

ঝাড়গ্রামে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে বিজেপি ও অমিত শাহ প্রসঙ্গে এই ভাষাতেই আক্রমন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি প্রথমে এসে ঝাড়গ্রামের বাদরভুলা গেষ্ট হাউসে জেলা পরিষদের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করেন,উপস্থিত ছিলেন সাংসদ উমা সরেন,জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির চেয়ারম্যান বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা সহ জেলার বিধায়করা। তারপর ঝাড়গ্রাম পুরসভার নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন। দুপুর নাগাদ জেলাপরিষদের নব নিযুক্ত সভাধিপতি মাধবি বিশ্বাস,সহ সভাধিপতি মধুসূদন সরেন শপথ গ্রহন করেন। তাদের শুভেচ্ছা জানাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জ্ঞাপন সভায় যোগদান করেন। দুপুর নাগাদ জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত সভাধিপতি মাধবী বিশ্বাস, সহ সভাধিপতি মধুসূদন সরেন শপথ গ্রহণ করেন। তাঁদের শুভেচ্ছা জানাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভ্যররথনা জ্ঞাপন সভায় পার্থবাবু যোগদান করেন।

উল্লেখ্য, ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে জিতেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বাকি ৩টি আসনে পায় বিজেপি। সংখ্যায় অনেক এগিয়ে থাকলেও তৃণমূল নেতৃত্ব সংশয়ে ছিলেন। তাই পার্থবাবু এদিন ঝাড়গ্রামে জয়ী সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বৈঠক করেন। সুকুমারবাবু জানিয়েছেন, “জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচন নিয়ে কোনও মতভেদ হয়নি। দলের রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মতোই ঐ দু’টি পদে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। এখন জঙ্গলমহলের সর্বস্তরের মানুষএর উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। “