সময় মত না এলে ডাক্তারদের শো-কজের সিদ্ধান্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের

0
122
Advertisement
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝাড়গ্রাম জেলা সফরের আগে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মানোন্নয়নে শুরু হয়েছিল তৎপরতা । মুখ্যমন্ত্রী ঝাড়গ্রাম জেলা সফর শেষ হতেই ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসকরা না আসার অভিযোগ । পরিস্থতির রাশ টানতে একসঙ্গে ৬ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে শো কজ করা হয়েছে বলে খবর । মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পরেও হাসপাতালে দেরিতে আসার জন্য কয়েকজন চিকিৎসক সমালোচিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ । সময় মতো হাসপাতালে না এলে এবং দেরিতে বহির্বিভাগে বসলে এ বার চিকিৎসকদের শো-কজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ।
গত ৯ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর সফরের দিনগুলিতে হাসপাতালের বহির্বিভাগে নির্দিষ্ট সময়ে চিকিৎসকরা হাজির ছিলেন । কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফর শেষ হওয়ার পর ছবিটা বদলে যায় । হাসপাতাল সূত্রের খবর বহির্বিভাগে সময়মতো আসেননি চারজন চিকিৎসক । পরে দেরিতে আসার অভিযোগ ওঠে আরও দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে । হাসপাতাল সূত্রে খবর, একজন সার্জেন, একজন ইএনটি বিশেষজ্ঞ, তিন জন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ও একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে শো-কজ করেছেন হাসপাতাল সুপার । অথচ কিছুদিন ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঝাড়গ্রামের সি.এম.ও.এইচ অশ্বিনী মাঝিকে সাফ জানিয়ে দেন কারণে অকারণে রোগীদের রেফার করা হলে রেয়াত করা হবে না । সময়মতো চিকিৎসকরা যেন ডিউটি করেন। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছিলেন সি.এম.ও.এইচ ।
প্রায় হাজার দু’য়েক রোগী প্রতিদিন হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসার জন্য আসেন । অভিযোগ প্রাইভেট চেম্বার সামলে হাসপাতালের বহির্বিভাগে বসতে দেরি হয়ে যায় একাংশ চিকিৎসকদের । চিকিৎসকদের একাংশের অবশ্য বক্তব্য ওয়ার্ডে রাউন্ড দিয়ে বহির্বিভাগে বসতে কখনও কখনও একটু দেরি হয় । অথচ এই সমস্যা কাটাতে বহির্বিভাগে সকাল ১১টায় চিকিৎসকদের বসার সময় নির্ধারিত করেছেন কর্তৃপক্ষ । এই পরিস্থিতিতে প্রতি শনিবার রিভিউ মিটিং করছেন সুপার মলয় আদক । সারা সপ্তাহে চিকিৎসক ও নার্সরা ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করছেন কি না সেটা খতিয়ে দেখার জন্যই এই সাপ্তাহিক বৈঠক বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর । হাসপাতালের সুপার মলয়বাবুর বক্তব্য এ ব্যাপারে কিছুই বলব পারব না । ঝাড়গ্রামের সি.এম.ও.এইচ অশ্বিনী মাঝি বলেন চিকিৎসক দেরিতে এলে শো-কজ তো হবেই । সুপার উচিত কাজ করেছেন । সরকারি চিকিৎসকদের আরো দায়িত্বসম্পন্ন হতে হবে ।
Advertisement