ঝাড়গ্রামে বিদায়ী সভাধিপতি সহ তৃণমূলের বহু হেভিওয়েট নেতা পরাজিত

0
763

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ঝাড়্গ্রাম জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি সমায় মাণ্ডি, সহ-সভাধিপতি সোমা অধিকারী সহ তৃণমুলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার পরাজয় তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়েছে। জঙ্গলমহলে মুখ্যমন্ত্রী এত উন্নয়ন করার পরও কেন তৃণমুলের এই অবস্থা? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিচার বিশ্লেষণ শুরু করেছে জেলা নেতৃত্ব। গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকের বিদায়ী সভাপতি রীতারানি বধুক, ব্লক তৃণমুলের সভাপতি সিংরি মুর্মু পরাজিত হয়েছেন। ঝাড়গ্রাম ব্লকের বন-ভূমি কর্মাধ্যক্ষ রাজেন হাঁসদা ও যুব তৃণমুলের সভাপতি অশোক মাহাত হেরে গিয়েছেন। জামবনী ব্লক তৃণমুলের সভাপতি জগদীশ মাহাতও হেরে গিয়েছেন। গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তথা টিএমসিপির জেলা সভাপতি সত্যরঞ্জন বারিক মাত্র ৪৪টি ভোটে জয়ী হয়েছেন। জেলাজুড়ে তৃণমূলের হেভিওয়েটদের পরাজয় মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শাসকদলের। গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকে বিজেপি জেলায় সবচেয়ে ভালো ফল করেছে। এই ব্লকে দুটি জেল পরিষদ আসন, পঞ্চায়েত সমিতির ১৮টি আসনের মধ্যে ১২টী এবং ৫টি গ্রাম্পঞ্চায়েত দখল করেছে বিজেপি। এই ব্লকে তৃণমুল ১টি গ্রাম পঞ্চায়েতো দখল করতে পারেনি তৃণমুল। একটি পঞ্চায়েতে টাই ও একটি ত্রিশঙ্কু হয়েছে। অন্যদিকে, সাঁকরাইল ব্লকে বিজেপি ৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত, একটি জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছে। ঝাড়গ্রাম ব্লকে ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির ১২টী আসন দখল করেছে বিজেপি। বেলপাহাড়ি ব্লকে ভূলাভেদা ও হাড়দা গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল একটি আসনও জিততে পারেনি। ঐ ব্লকে আদিবাসী সমন্বয় মঞ্চের নর্দলরা ২টি বিজেপি ২টি পঞ্চায়েত দখল করেছে। দুটি ত্রিশঙ্কু হয়েছে। লালগড় ব্লকের বেলটিকরি, বিনপুর, রামগড় ও সিঁজুয়া পঞ্চায়েত বিজেপি দখল করেছে। ঝাড়গ্রাম ব্লকের নেদাবহড়া ও শালবনী গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমুল একটি আসন পায়নি। ঝাড়গ্রামে বিজেপি ৬টি ও তৃণমুল ৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছে। তৃণমুলের এই শোচনীয় ফল নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।