কৃষক থেকে বুদ্ধিজীবী সকলের জন্য উদ্বোধন হল জঙ্গলসাথী গ্রন্থাগার

0
143

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ভাল কার করার জন্য পুরস্কার প্রাপ্ত অর্থে আরও ভাল কাজ করে ইতিহাস গড়লেন গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকের বিডিও বিশ্বনাথ চৌধুরী। ১০০ দিনের কাজে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেয়েছিল জঙ্গলমহলের গোপীবল্লভপুর ১ ব্লক। সেই অর্থের কিছু অংশ ব্যয় করে বিশ্বনাথবাবু মানব-সম্পদ উন্নয়ন এবং কর্মহীন যুবক-যুবতীদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য “জঙ্গলসাথী” গন্থাগার গড়ে দিলেন। গত সোমবার সেই গন্থাগার যৌথভাবে উদ্বোধন করেন বাংলার প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এবং লোক সংস্কৃতি গবেষক ও লেখক ড. মধুপ দে। কেবল গ্রন্থাগার নয়, তিনি পরীক্ষার্থীদের জন্য যে মেটিরিয়ালটি তৈরি করেছেন তাও এক সাথে প্রকাশ করেন জেলা শাসক আর অর্জুন, নকুলবাবু, শীর্ষেন্দুবাবু ও মধুপবাবু। সভায় উপস্থিত ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আর অর্জুন বিডিও বিশ্বনাথ চৌধুরীর প্রশ্নগসা করে বলেন, “এই গ্রন্থাগার জেলার গর্ব। ” মহকুমাশাসক নকুল চন্দ্র মাহাতো শীর্ষেন্দুবাবুর সাহিত্য কীর্তি এবং মধুপবাবুর নিরলস গবেষণা কর্মের অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং এই গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার জন্য বিডিও বিশ্বনাথবাবুকে অভিনন্দন জানান। জঙ্গলমহ্লের ভূমিপূত্র মধুপবাবু গোপীবল্লভপুরের ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, “গ্রন্থাগার সভ্যতার বাহন। এই গ্রন্থাগার যেমন বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতিযোগিতায় প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে, তেমনি তা স্থানীয় ইতিহাস এবং সাহিত্য সংস্কৃতির ধারকো হোক । কৃষক থেকে বুদ্ধিজীবী সকলের গ্রন্থাগার হোক এই জঙ্গল সাথী গ্রন্থাগার ।” শীর্ষেন্দুবাবু ‘জঙ্গল সাথী’ গন্থাগারেরর উদ্বোধণী বক্তব্যে বলেন, ‘এই গ্রন্থাগার যেন বাথরুমে রাখা অব্যবহৃত সাবানের মত না হয়। ব্যবহার না হলে ত কোণো কাজেই আসবে না। বেকার যুবক-যুবতীরা যাতে এই গ্রন্থাগার ব্যবহার করেন সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বিডিও-র এমন মহৎ উদ্যোগের কথা জেনেই এখানে আসতে আগ্রহ বোধ করি।”