মহাচতুর্থীতে শহরে বিভিন্ন মণ্ডপের উদ্বোধন, তবে বেশির ভাগই হচ্ছে আজ

0
1030

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ দুর্যোগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। আকাশের মুখ ভার। শনিবার বিকাল থেকে দুর্যোগ কমতে থাকে। তাতেই শহর সহ গোটা জেলায় অনেক জায়গায় দুর্গাপুজো মণ্ডপের উদ্বোধন করা হয়। ‘তিতলি’-র প্রভাবে গত দু’দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছিল। তাই পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। তিতলির ‘রেশ’ কবে কাটবে তা নিয়ে সময় হিসাব করছিলেন উদ্যোক্তারা।  দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়েই শনিবার সন্ধ্যায় পুজোর কমিটির উদ্যোক্তারা মণ্ডপের উদ্বোধন করেন। এদিন সন্ধ্যায় শহরের বিবিগঞ্জ সর্বজনীর দুর্গোৎসব কমিটির ৫২তম বর্ষের পুজোর মণ্ডপ উদ্বোধন করেন ভারত সেবাশ্রম সংঘ মেদিনীপুর শাখার সম্পাদক স্বামী মিলনানন্দ। উপস্থিত ছিলেন পুরপ্রধান প্রণব বসু, সুজাতা ভট্টাচার্য, পুজো কমিটির সভাপতি রতন কুণ্ডু প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পুজোর কমিটির সম্পাদক তথা কাউন্সিলর শম্ভুনাথ চ্যাটার্জী। শহরের বিধাননগর সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির পুজো মণ্ডপের উদ্বোধনও এদিন সন্ধ্যায় করা হয়। উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন মেদিনীপুর শাখার অধ্যক্ষ স্বামী অম্যার্ত্যানন্দ। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পি মোহন গান্ধী ও তাঁর স্ত্রী, কাউন্সিলর মৌ রায়, পুজোর কমিটির সভাপতি সুশান্ত মহাপাত্র, সম্পাদক সরোজ জানা সহ সমস্ত সদস্যবৃন্দ। সুশান্তবাবু জানান, তাঁদের ৪০তম বর্ষের ঐ পুজোকে সামগ্রিক সহযোগিতা করেছে বিধাননগর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। মণ্ডপ উদ্বোধন হওয়ার পরই স্থানীয়রা প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন। আজ, রবিবার পঞ্চমীতে অধিকাংশ মণ্ডপের উদ্বোধন হওয়ার পরই স্থানীয়রা প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন। আজ, রবিবার পঞ্চামীতে অধিকাংশ মণ্ডপের উদ্বোধন করা হবে। মুখ ভার ছেড়ে কখন আকাশ হাসবে সেদিকেই তাকিয়ে পুজো কমিটির কর্তা সহ সর্বস্তরের মানুষ। চতুর্থিতে মণ্ডপ উদ্বোধন না করা হলেও প্রতিটি মণ্ডপে লাউদ স্পিকার বাজানো শুরু হয়ে গিয়েছে। বাঙালির শ্রষ্ঠ উৎসবে সামিল হতে প্রস্তুত সবাই।