বাঘমামাকে খাঁচা বন্দি করা যে সহজ কাজ নয়, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বন দফতর

0
198

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ সবাই যখন লালগড়মুখী হয়ে বসে আছে, তখন বাঘ দেখতে পাওয়ার খবর আসছে পার্শ্ববর্তী ব্লকের গ্রামগুলি থেকে। বনদফতরের আধিকারিক থেকে শুরু করে বন কর্মীদের নজর যখন রয়েছে লালগড়ের জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলির দিকে, ঠিক সেই সময় ঘটে গেল রোমহর্ষক কিছু ঘটনার সাক্ষী হলেন মেদিনীপুর ব্লকের গুড়গুড়িপাল থানার ভেড়ুয়া অঞ্চলের শিয়ারবনি গ্রামের কৃষক অরবিন্দ মাহাত। 

শেষ রাতে বাড়ির গোয়ালঘর থেকে গরুর চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে যায় গৃহকর্তা অরবিন্দ মাহাতর। গতকালই এখানে এসেছিল একপাল দাঁতাল। তাই হাতির ভয়ে কাছে রেখেছিলেন টর্চ। গরুর চিৎকার শুনে তিনি বেরিয়ে এসে টর্চের আলো ফেলতেই তার চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। তার নিজের কথায়, আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। দেখি বিশাল বড় একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। আমাদের বাড়ির গোয়ালঘরের সামনে থেকে বক্সির জঙ্গলের দিকে যাচ্ছে। গোয়ালঘরের দিকে তাকিয়ে দেখি একটি গরু রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছটফট করছে। 

এই এলাকাতেই বাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হরেন্দ্র নাথ মাইতির বাড়ি। তিনিও ঘটনায় রীতিমতো শঙ্কিত। কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। এরমধ্যে বাঘটি সকালে এলাকায় বেশ কয়েকজনের বাড়িতে হানা দেয়। মেদিনীপুরে সদর ব্লকের এই গ্রামটিতে এসে সে এলাকা পরিদর্শন করেছে। বনদফতর তাকে নিয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছে। সে যেভাবে লুকোচুরি খেলছে তানিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছে বনদফতর।