মূখ্যমন্ত্রীর ধমকের পরই ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে তাড়ানো হচ্ছে হাতি

0
549
সদর ব্লকের লোহাটিকরী গ্রামে তোলা চিত্র
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়্গ্রাম এই দুই জেলার জঙ্গল এলাকা থেকে হাতি তাড়িয়ে ঝাড়খন্ডে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বন দফতর। সেজন্য এলাকা ধরে হাতি গুলিকে একটি বিশেষ রুট ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবার সদর ব্লকের লোহাটিকরি থেকে হাতিগুলিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে লোহাটিকরির কাছে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত রাস্তার দু’দিকে লাইন দিয়ে বাস, লরি সহ অন্যান্য যান আটকে পড়ে। বহু উৎসুক মানুষ হাতিগুলি দেখতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েন। বন দফতর জানিয়েছে, হাতিগুলিকে ঝাড়গ্রামে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। পরে ঝাড়গ্রাম থেকে মানিকপাড়া হয়ে ঝাড়খন্ড রাজ্যে পাঠানো হবে। হাতিগুলিকে ঝাড়খন্ডে পাঠানো সম্ভব হলে দুই জেলার ক্ষয়ক্ষতি আর হবে না। এখন পর্যন্ত হাতির দাপটে দুই জেলার ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের জমি খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করেছে হাতির দল। সবজি চাষেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রচুর। বন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগে যেখানে বড়জোর আড়াই মাস হাতি দাপিয়ে বেড়াত, এখন প্রায় সারা বছরই জেলায় দাপাচ্ছে হাতির দল। দলমা থেকে আসা দামালদের ফের ঝাড়খন্ডে পাঠানোর জন্য সবরকম  পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঝাড়গ্রাম সফরের এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ভাষায় ধমক দিয়েছিলেন বন দফতরের কর্তাদের। কেন হাতিগুলিকে তাড়ানো নিয়ে পরিকল্পনা হচ্ছে না তা নিয়ে তিনি বন দফতরের কর্তাদের কাছে কারণ জানতে চেয়েছিলেন? মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পরই বন দফতর থেকে হাতি তাড়ানো নিয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বন দফতরের আধিকারিকরা বসে একাধিকবার বৈঠক করেন । তারপরই দুই জেলা মিলে হাতি তাড়ানোর কাজে নেমেছে।