ফেকোঘাটের কাছে ডুলুং নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় ভাসল অস্থায়ী রোড, বিঘিত যোগাযোগ

0
308
ছবিঃ ওয়েব ডেস্ক

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ছয় নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারনের কাজ চলছে।তাই ডুলুং নদীর উপর দূর্বল সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত এবং পন্যবাহী ভাড়ি গড়ি চলাচল আটকাতে সেতুর নিচে নদীর পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তা করে দেওয়া হয়ছিল। কিন্তু গত তিনদিনের ভাড়ি বর্ষনে ডুলুং নদীর জল বেড়ে উপচে রাস্তার উপর উঠে এসেছে।আর তার ফলে  ওই রাস্তার উপর দিয়ে রীতিমত নদীর জল তীব্র স্রোতে প্রবাহিত হচ্ছে। রাস্তা বন্ধ। এই অবস্থায় জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে দেশর বিভন্ন প্রান্তে যাতায়াতকারী পন্যবাহী দশ চাকা সহ বিভিন্ন গাড়ি,মানুষজন প্রান হাতে নিয়েই ডুলুং নদীর ওই দূর্বল সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করছে।  উল্লেখ্য গত প্রায় এক ধরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারনের কাজ চলছে। খড়্গপুর থেকে ঝাড়গ্রামে জাতীয় সড়কের কাজ চলছে। আর জন্য রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি থেকে শুরু করে দূর্বল সেতু মেরামতির কাজ আছে।ঝাড়গ্রাম জেলায় লোধাশুলি থেকে ফেকো যাওয়ার জাতীয় সড়কে অনুরূপভাবে কাজ চলছে। ফেকোর কাছে জাতীয় সড়কের উপরেই রয়েছে ডুলুং নদীর উপর সেতু। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে এই ডুলুং নদীর উপর সেতুটি খুবই ভগ্ন অবস্থা। সেতুটির বিভিন্ন অংশে ফাটল রয়েছে। পন্যবাহী গড়ি চলাচল করলে রীতিমত নড়ে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। এই অবস্থায় জাতীয় সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। সেতুটির উপর বিপজ্জনক পরাপার রুখতে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সেতের নিচে ডুলুং নদীর পার বরাবর একটি বিকল্প রাস্তা করে দিয়েছে। কিন্তু গত তিন দিনের টানা বৃষ্টির ফলে নদীর জল অনেক বেড়ে গিয়েছে। নদীর জল উপচে রাস্তার উপর স্রোতের মতো বইছে। জাতীয় সড়ক ধরে এই রুটে কলকাতা থেকে মুম্বাই,মুম্বাই থেকে কলকাতা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গাড়ি চলাচল করে। দিনে হাজারের বেশি পন্যবাহী গাড়ি,যাত্রীবাহী এই রাস্তা ধরে ঝাড়খন্ড,ওড়িশা,বিভিন্ন রাজ্যে পৌছে যায়।ব্যাহত বাংলা ঝাড়খণ্ড ওড়িশার যোগাযোগ। স্থানীয় মানুষ ও গাড়ির চালকদের অভিযোগ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষে খামখেয়ালি পনার কারনে এই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা