জীর্ণ ভঙ্গুর একই ছাদের তলায় বিদ্যালয় ও ডাকঘর, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

0
92
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ জীর্ণ ভঙ্গুর একই ছাদের তলায় চলছে স্কুল ও ডাকঘর। বিপদ মাথায় নিয়ে পাঠ নিচ্ছে পড়ুয়ারা। বেহাল ছাদের এই চিত্র কালাকড়িঘাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের  বসনছোড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে পড়ে ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। ব্রিটিশ আমলের স্কুলবিল্ডিংয়েই চলছে পঠনপাঠন। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের ছাদের ভগ্নদশার কথা পঞ্চায়েত থেকে জেলা শিক্ষাদপ্তর সর্বত্রই জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাতে কাজ হয়নি বলে জানিয়ে প্রধানশিক্ষক অরুণকুমার পাত্র বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ছাদ পুনর্নিমাণের জন্য অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্তরে আবেদন করেছি। ছাদের অবস্থা ভালো নয়। ভঙ্গুর ছাদের চাঙর খসে পড়ে, রড বেরিয়ে গেছে, বৃষ্টি হলেই জল পড়ে, বই, খাতাপত্র ভিজে নষ্ট হয়। আপাতত ছাদটা হয়ে গেলে নিশ্চিন্তে স্কুল করতে পারি।’ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শ্যাম পাত্র বলেন, ‘ওই স্কুলের ছাদ মেরামতির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, খুব শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সেই ভাঙা ছাদের নীচে দুটি রুমে গাদাগাদি করে বসে প্রাথমিক শিক্ষা নিচ্ছে ৮৬ জন পড়ুয়া। পাঠ দিচ্ছেন ৩ জন স্থায়ী শিক্ষক। শুধু স্কুলের নয়, বিপদ কালাকাড়ি গ্রামের ডাকঘরেরও। কেননা এই ডাকঘরটিও স্কুলের একই ছাদের নীচে, এক রুমে। পোস্টমাস্টার নিমাই মল্লিক বলেন, অবিলম্বে এই ছাদ মেরামতি না করলে স্কুলের মতো ডাকঘরের কাজকর্মও বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন ১৯৭৯ সাল থেকে ডাকঘরটি স্কুলের একটি রুমে চলছে। প্রশান্ত মল্লিক, প্রশান্ত দিন্দা সহ কয়েকজন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী বলেন, ‘স্কুলটি প্রায় ২০ বছর ধরে এমনিই  বেহাল, ভাঙা ছাদ, জল পড়ে, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’