পূর্ব মেদিনীপুরের সৈকতভূমি ও বাঁধ পরিদর্শণে এলেন বিধায়ক

0
68
বিধায়ক অখিল গিরি পরিদর্শণ করছেন শংকরপুরে তোলা চিত্র
Advertisement
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ শনিবার পুর্ব মেদিনীপুর জেলার শংকরপুর মৎস্য বন্দর এলাকায় সমুদ্রবাঁধ পরিদর্শন করল প্রশাসনের কর্তারা। এদিন শংকরপুর,জামড়া শ্যামপুর,জলধা,চাঁদপুর,তাজপুর সহ একাধিক এলাকা পরিদর্শনে এসেছিলেন প্রশাসনের কর্তারা।ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অখিল গিরিও।অখিল বাবু বলেন,জরুরি ভিত্তিতে বালির বস্তা ফেলে বিপর্যস্ত এলাকায় বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর। শংকরপুর থেকে জলধা মৎস্য খটি পর্যন্ত ২.৫ কিলোমিটার সমুদ্রপাড় গ্রানাইট পাথর দিয়ে মেরামতি করা হবে।আবার শংকরপুর ১ নম্বর ঘাট থেকে শংকরপুর মৎস্যবন্দর পর্যন্ত ২.৮ কিলোমিটার সমুদ্রপাড় বাঁধাইয়ের কাজ অবিলম্বে শুরু হবে। দুটোই কংক্রীটের ওয়াল তার উপরে মার্বেল বসিয়ে প্রটেকশন বাঁধ তৈরি করা হবে।তাঁর কথায়,বালির বস্তা ও গ্রানাইট পাথর ফেলার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে দ্রুতগতিতে।”সেচ দফতরের কাঁথি ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার স্বপন পণ্ডিত বলেন,”এদিন জলের তাণ্ডব, হাওয়া এবং ঝড়বৃষ্টি নেই।যেটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,সেগুলি আবার নতুন মেরামতির করা হবে।আর টাকা বরাদ্দের পর টেন্ডার করেই কংক্রিট দিয়ে বাঁধ সংস্কার করা হবে।”প্রসংগত,সমুদ্রে প্রবল জলোচ্ছাসে ভেঙে পড়েছিল পাকা সেতুর একাংশ।ঘটনাটি ঘটেছিল পুর্ব মেদিনীপুর জেলার পর্যটনকেন্দ্র শংকরপুর ও তাজপুরের মাঝামাঝি সমুদ্র লাগোয়া গ্রাম জামড়া শ্যামপুরে। সেতু ভাঙার খবর পেয়ে হাজার হাজার আতঙ্কিত  গ্রামবাসী বাঁধের উপর এসে জড়ো হতে শুরু করে। সেতু ভাঙার খবর পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিকেরা।বৃহস্পতিবার রাতের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ে।জলের ধাক্কায় সেতুর নিচের গ্রানাইট পাথর সরে যাওয়াতেই এই বিপত্তি বলে দাবি করেছিল গ্রামবাসীরা।তাঁরা এই বিপর্যয়ের জন্য মুলত সেচ দফতরকে দায়ী করে।
Advertisement