দিঘায় মৎস্যজীবীদের জালে উঠে এল ক্ষেপনাস্ত্রে, চঞ্চল্য

0
792

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ১৪ ডিসেম্বর বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছিল দিঘা। এই ঘটনার তিন দিনের মাথায় অবশেষে সেই বিকট শব্দের রহস্য উদঘাটন হল।জানা গিয়েছে,মৎস্যজীবী নিতাই নন্দী এবং চার সংগী মিলে ওড়িশার তালসারি থেকে ১৪ ডিসেম্বর রাতে সমুদ্রে মাছ শিকারে যায়।     তালসারি থেকে প্রায় একশো কিলোমিটার যাওয়ার পর মৎস্যজীবীদের জালে লাগে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ। ওই মৎস্যজীবীরা বড় মাছের চাঁই ভেবে খুবই সাবধানে সেটাকে উপকুলে নিয়ে আসে।সেটাকে দেখার পর বিষয়টি দিঘা থানার পুলিশকে জানায়।শনিবার বিকেলে ওটাকে উদ্ধার করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।প্রসংগত,বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পঁয়ত্রিশ মিনিট নাগাদ হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায় দিঘা এলাকাজুড়ে। মুহুর্ত্বের মধ্যে কেঁপে উঠে এই পর্যটন এলাকা।আচমকাই এই শব্দ হওয়ায় পর্যটকেরাও হোটেলের ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। নিমেষের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে।তারপরেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পর্যটক মহলে।দিঘায় সমস্ত মানুষের কানে পঁউছায় বিকট শব্দ।বিষয়টি জানাজানি হতেই দিঘা ও দিঘা মোহানা কোষ্টাল থানার পুলিশ এই শব্দের উৎপত্তিস্থল খোঁজার চেষ্টা করেন।বিভিন্ন গ্রামে পাঠানো হয় সিভিক ভলেন্টিয়ারদের।রাস্তায় নামানো হয় দমকলবাহিনীকে।সেইসংে দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষৎ ও দিঘা পুলিশ সমুদ্রে স্নানরত পর্যটকদের সতর্ক করতে মাইকিং শুরু করে।এমনকি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমতো পর্যটকদের সতর্ক করতে বিপদ সংকেত হিসেবে বাজানো হয় সাইরেন।প্রায় দু’ঘন্টা ধরে সমুদ্র উপকুলীয় এলাকায় তল্লাশি চালিয়েও শব্দের উৎপত্তিস্থলের সন্ধান করতে পারেনি পুলিশ।সইকত শহর দিঘায় বিকট শব্দের কারণ ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে পর্যটন শহরে।আতংকিত হয়ে পড়েছেন পর্যটকরা।গভীর সমুদ্রের দিক থেকে ওই শব্দ আসে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।খবর পেয়ে,দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা রাস্তায় নেমে পড়ে।অবশেষে দেখা গেল মৎস্যজীবীদের জালে উঠে এল ক্ষেপণাস্ত্রের  ভাঙা যন্ত্রাংশ।