বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল হাওড়া-পুরি ধৌলি এক্সপ্রেস

0
930

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল হাওড়া পুরি আপ ধৌলি এক্সপ্রেস। মঙ্গলবার সকাল ৭-১০ টা নাগাদ পাঁশকুড়ার কিছুটা আগে নারায়াণপাকুড়িয়া মুড়াইল স্টেশনের কাছে ডি-৩ কামরাটি লাইনচ্যূত হয়। তবে সটিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে পুরিগামী ট্রেনটি ভোগপুর স্টেশন অতিক্রম করার পরই হয় রেললাইনের সংযুক্ত করার রেল্পাল জড়িয়ে যায় ডি-৭ কামরার চাকার কাছে। এরপর প্রায় দেড় দু কিলোমিটার বিপজ্জনক ভাবেই চলতে থাকে ট্রেনটি। প্রত্যক্ষদর্শী ট্রেনযাত্রী দেবাশিস পাল জানান, ভোগপুর স্টেশন পেরোনোর পরই ট্রেনে প্রচন্ড ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়, এরপর কামরা দুলতে থাকে। যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। কান্নাকাটিও পড়ে যায়। ব্যাপক ধুলোয় ভরে যায় কামরা। পরে ট্রেন আস্তে আস্তে গতি কমে দাঁড়িয়ে যায়।

ঘটনা ঘটার কিছু পরেই রেল দফতর থেকে মাইকে প্রচার করা হয় , ফলকনামা এক্সপ্রেসে প্রয়োজনে যাত্রীরা উঠতে পারেন। ধৌলি এক্সপ্রেসের সমস্ত স্টপেজই ফলকনামা এক্সপ্রেস দাঁড়াবে। নারায়ণপাকুড়িয়া স্টেশনে ফলকনামা এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে যায় কিছুক্ষন ও যাত্রীদের তুলে নেয়। এরপর ডি-৩ কামরার সামনের সংযোগ খুলে দেওয়া হয় এবং পাঁশকুড়া স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয় ধৌলি এক্সপ্রেসের সামনের অংশটি। খড়গপুর থেকে দুর্ঘটনার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে আসে। গ্যাসকাটার দিয়ে প্রায় ছয়ফুট লোহার পাতটিকে কাটা হয় এবং লাইনচ্যুত রেলের চাকাকে লাইনে তোলা হয়। প্রায় দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে যুদ্ধকালীন কাজকর্ম। মিডি্‌ল লাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটার কারণে ট্রেন চলাচল খুব ধীরে ধীরে চলে। বেলা ৩টা নাগাদ রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।