দাসপুরে কংসাবতী নদীতে বালি চুরি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা

0
71

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ কংসাবতী নদী থেকে অবাধে অসাধু ব্যবসায়ীরা বালি চুরি করে নিয়ে যাছে দিনের ঝকঝকে অালোয় প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। স্হানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীরা পুলিশের সাথে যোগসাজোস করে বালি লুঠ করছে। দাসপুর থানার উপর দিয়ে বয়ে গেছে কংসাবতী নদী। এই নদীতে অবাধে বালি লুঠ করে চলেছে বালি মাফিয়ারা। বন্যার সময় নদী টয়টম্বুর থাকলেও মেশিন চালিয়ে হর্স পাইপের মাধ্যমে বালি তুলে নেয় এই বালি মাফিয়ারা এবং চড়াদামে বিক্রি করে। এখন নদী প্রায় শুকিয়ে গেছে তাই নদীতে ট্রাক নেমে গিয়ে বালি তুলে অানছে। এবং নদীর চরকে কেটে নিছে, এক এক জায়গায় বিশাল বিশাল গর্ত করে বালি চুরি করে নিছে। এরফলে নদী বাঁধ ভেঙ্গে গিয়েছিল গত বন্যায় দাসপুরের যদুপুরে।

দাসপুর থানার রাজনগর অঞ্চলের যদুপুর, রাজনগর, অানন্দগড়, সামাটে অবাধে বালি চুরি হয়ে যাছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল পযর্ন্ত ৩০ টি লরি, ট্রাকটর, তিন চাকার গাড়ি বালি তুলে নিয়ে যাছে। স্হানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার প্রশাসনকে জানিয়েছি কিন্তু কোন ব্যবস্হা নেয়নি। স্হানীয় পার্টি নেতৃত্বকে জানালে বলে মাস পিটিশন দিতে কিন্তু কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। অারও অভিযোগ, বালি তোলার গাড়িকে বলতে গিয়ে একবার মারধোর খেতে হয় বলে জানিয়েছেন। সিপিএমের অামল থেকে এই বালি চুরি চলে অাসছে এখনও হছে কোন পরিবর্তন নেই। কংসাবতী নদীতে বালি গাড়ি ছবি তুলতে গেলে শ্রমিকরা জানান, অামরা দিনে দু একশো টাকা পায়। অামাদেরকে বলেছে বালি তুলতে। অাশিস, শশাঙ্ক, রাসু, রাজু, দিবাকররা বালি তোলার জন্য শ্রমিকদের বালি তোলার জন্য বলেছে বলে স্হানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ।

অারও অভিযোগ, নদীর বালি চুরি করে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা বালি লুঠ করছে এই বালি মাফিয়ারা। যে সমস্ত গাড়ি গুলি বালি নিয়ে যাছে তাদের বেশীর ভাগের কাগজ পএ ঠিক নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা জানান, অামরা অাইন মেনে কাজ করছি। সমস্ত দপ্তরে টাকা দিই। পুলিশ জানিয়েছে, অামাদের কাজ নয় ।বিএলঅারওর কাজ। অবৈধ বালি চুরি রুখতে প্রশাসন কি ব্যবস্হা নেই সেটাই দেখার।