জামবনির পিছিয়ে পড়া গ্রামকে সাজিয়ে তুলতে নানান কর্মসূচি কেন্দ্রীয় বাহিনীর

0
122

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী নেতা সাহেব রাম মুর্মু(জয়ন্ত)-র গ্রামে সিআরপিএফ এর উদ্যোগে পরিষেবা প্রদান করা হয়। ঝাড়খণ্ড বাংলার সীমান্ত লাগোয়া জামবনি থানার আমতোলিয়া পিছিয়ে পড়া গ্রাম কে সাজিয়ে তুলতে একাধিক কর্মসূচি নিতে চলেছে সিআরপিএফ ১৮৪ ব্যাটেলিয়ন। বাংলার একেবারে সীমান্ত বর্তী এই গ্রাম এক সময় মাওবাদীদের গ্রাম বলে পরিচিত ছিল।কেন্দ্রীয় বাহিনীর খাঁকি পোশাক ও বাহিনীর জুতোর শব্দ আর মাওবাদীদের গুলিতে এলাকা জাগত। কিন্তু দেখা মিলত না মানুষের। পুলিশের ভয়ে গ্রামের মানুষ ঘর থেকে বেরোতে ভয় পেতেন। কিন্তু জঙ্গলমহলের চিত্রটা আজ বদলেছে।শান্তি ফিরেছে জঙ্গলমহলে এলাকায় চলছে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের হাত ধরে গ্রামবাসীরা টানা পরিষেবা পাচ্ছেন।পানীয় জল থেকে শুরু করে চিকিৎসা,বিদ্যালয়ে বই,গ্রন্থাগার সহ এলাকায় কমিউনিটি হল।এক কথায় আমতোলিয়া গ্রাম সিআরপিএফ ১৮৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে অকেনটাই বদলে গিয়েছে।জন প্রতিনিধিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কেন্দ্রীয় এই বাহিনীর পক্ষ থেকে গ্রামের মানুষদের প্রয়োজনের বিষয় গুলি জেনে নিয়ে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। এদিন বুধবার জামবনি ব্লকের লালবাঁধ অঞ্চলের আমতোলিয়া গ্রামে সিআরপিএফের ১৮৪ নম্বর ব্যাটিলিয়ানের পক্ষ থেকে এলাকার স্থানীয় বিট অফিসে একটি অনুষ্ঠানে এলাকার দরিদ্র মানুষের হাতে ওষুধ সহ নান ধরনের মেডিক্যাল সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় লালবাঁধ উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও নানা ধরনের মেডিক্যাল সামগ্রী দেওয়া হয়। আমতোলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনী থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেনী পর্যন্ত পড়ুয়াদের পাঠ্য পুস্তক,খাতা দেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যালয়কে দুটি ব্ল্যাক বোর্ড দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের জন্য দুটি সেলফ ভর্তি সাধারণ ঞ্জান এবং অভিধান সহ বিভিন্ন ধরনের বই দেওয়া হয়। এই বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা যাতে সিলেবাসের বাইরেও সাধারণ ঞ্জান অর্জন করতে পারে তার লক্ষে এই গ্রন্থাগার। ”এদিন ১৮৪ ব্যাটানিয়নের পক্ষ থেকে সাধারণ দরিদ্র এক মহিলা এবং এক পরুষ প্রতিবন্দী দের হুইল চেয়ার দেওয়া হয়।এছাড়া ডিজিটাল প্রেসার মাপার যন্ত্র,ডিজিটাল থার্মমিটার,ওয়াকিং স্টিক,নিক্যাপ হট ব্যাগ সহ বিভিন্ন মেডিক্যাল সামগ্রী দেওয়া হয়।