একটুর জন্য ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল দক্ষিণ পূর্ব শাখার দুটি লোকাল ট্রেন, আহত ৪

0
440
Advertisement
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ দুটি ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল ক্ষীরাই ও পাঁশকুড়া স্টেশনের মাঝে। হাওড়া-মেদিনীপুর লোকাল ও হাওড়া-বালিচক লোকালের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আজ বিকেল পৌনে তিনটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে।আজ দুপুরে ক্ষীরাই ও পাঁশকুড়া স্টেশনের মাঝে একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। সেটিকে দেখে দাঁড়িয়ে পড়ে হাওড়া-মেদিনীপুর লোকাল। তার জেরেই পিছনে থাকা হাওড়া-বালিচক লোকাল এসে মেদিনীপুর লোকালকে ধাক্কা মারে।এই ঘটনায় মেদিনীপুর লোকালের গার্ড সহ বেশ ৪ যাত্রী আহত হয়েছেন।
অটো সিগন্যালিং ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ না করায় পাঁশকুড়া-হাওড়া ডাউন লাইনে পরপর ঢুকে পড়লো একটি মালবাহী ও দুটো লোকাল ট্রেন।এর জেরে রবিবার বিকেল পৌনে তিনটে নাগাদ পাঁশকুড়া-ক্ষীরাই স্টেশনের মাঝামাঝি সামনে-পিছনে থাকা মেদিনীপুর- হাওড়া এবং বালিচক-হাওড়া লোকাল ট্রেনের মধ্যে ঘটল সঙ্ঘর্ষ। এক্ষেত্রে পিছনে থাকা বালিচক-হাওড়া লোকাল ট্রেনের গতি খুবই কম থাকায় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বড়সড় দুর্ঘটনা। তবে আহত হয়েছেন মেদিনীপুর লোকালের শেষ কামরার ৩০ জন মতো যাত্রী। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অধিকাংশ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২ জন। তাঁদের মাথায় আঘাত লেগেছে। তবে আঘাত খুব গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সিগন্যাল দেখেই পাঁশকুড়া- ক্ষীরাই স্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় প্রথমে দাঁড়িয়ে পড়ে মালবাহী ট্রেনটি। তার কিছুক্ষণ পর হাওড়াগামী মেদিনীপুর লোকালটি এসে দাঁড়িয়ে পড়ে।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাউন বালিচক-পাঁশকুড়া ট্রেনটিও সিগন্যাল না মেনেই চলে আসে। ব্রেক করার পরও গতিরোধ করতে পারেননি বালিচক-পাঁশকুড়ার চালক। ঘটে যায় দুর্ঘটনা। এই ঘটনার জেরে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে ডাউন লাইনের ট্রেন চলাচল। খবর পেয়েই ঘটনস্থলে আসেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশনের পদস্থ কর্তারা। অটো সিগন্যাল ব্যবস্থার সমস্যার কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে জানান ডিভিশনের পিআরও সঞ্জয় বোস। তিনি বলেন,সিগন্যাল দেখেই আগের দুটো ট্রেন পরপর দাঁড়িয়ে পড়েছিল,’সেক্ষেত্রে পরের ট্রেনটি সিগন্যাল না মেনেই সম্ভবত চলে এসেছে বলেই আমাদের ধারণা।ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’এদিকে বিস্বস্থসূত্রে জানাগেছে এদিন সন্ধেয় সাসপেন্ড করা হয়েছে বালিচক-পাঁশকুড়া লোকালের চালককে।যদিও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলতে চাননি দক্ষিণ-পূর্ব রেলের কর্তারা।
Advertisement