নরেন্দ্র মোদীর সভায় দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন সিসিটিভি সরবরাহকারী ও প্যাণ্ডেল নির্মাণকারী সংস্থার কর্তারা

0
2401

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভায় শামিয়ানা ভেঙে পড়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও পি এম ও-র তদন্তকারীরা ম্যারাথন জেরা করেছেন জেলা পুলিশ প্রশাসন ও পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের। সেখানেই সভার আয়োজক বিজেপির বিরুদ্ধে ভয়ানক অভিযোগ করেন জেলা পুলিশ ও পূর্ত দফতরের কর্তারা।পরে এবেলা, ইন-এর ক্যামেরার সামনে মুখ খোলেন সিসিটিভি সরবরাহকারি সংস্থার প্রধান সুবীর সামন্ত ও প্যাণ্ডেল নির্মাতা সংস্থার প্রতিনিধি সুভাষ রাওয়াত। সেখানেও তাঁরা সব দায় আয়োজকদের দিকেই ঠেলে দেন। কেন্দ্রীয় দলটি পুলিশের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চেয়েছি। পুলিশের কাছে সিসিটিভি-র কোনও রেকর্ড নেই। ক’টা সিসিটিভি লাগানো হয়েছিল তাও তাঁরা জানেন না বলে দাবি করেন জেলা পুলিশের কর্তারা। দেখা যায় ২৪টি ক্যামেরার মাত্র ৫টি কাজ করেছিল। সুবীর সামন্ত বলেন, ১৪ জুলাই আমরা অর্ডার পাই। কিন্তু কোনও ছাউনি তৈরি না হওয়াতে আমরা ক্যামেরা বসানো শুরু করতে পারিনি। ১৫ তারিখ ক্যামেরা বসানো শুরু হলেও বৃষ্টির জন্য সমস্যা হয়। এছাড়া সিকিউরিটি পাস বেশি না থাকায় আমরা ছেলেরা বেশি সংখ্যা কাজ করতে পারিনি। শুধু মাত্র অভিযোগ করেছেন সুবীর বাবু। অন্যদিকে ছাউনির কাঠামো ভাঙে পড়া নিয়ে প্যাণ্ডেল তৈরি করা সংস্থার পক্ষ থেকে সুভাষ রাওয়াত দাবি করেন, কোথাও এরকম ভাবে লোক শামিয়ানা টাঙানোর রড এর উপর ওঠে না। এখানে রডগুলোর উপর লোক উঠে যাওয়াতেই বিপত্তি হয়েছিল। বিজেপির স্বেচ্ছাসেবকরা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি বলেন, যে রডের ভার ১০ কেজি, সেখানে এত লোক উঠলে, ৫০০ কেজি ওজন হয়ে গেলে  কী করে তার ভার নেবে রডগুলি? ভেঙে পড়াই স্বাভাবিক। সুবীর ও সুভাষ তাঁদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দায় পুরো আয়োজকদের ঘাড়েই চাপিয়েছেন। পুলিশও কেন্দ্রীয় দলটির কাছে বলেছে, আয়োজকরা তাদের পুরো অন্ধকারে রেখেছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁরা যখনই ব্যবস্থাপণার ব্যাপারে কথা বলতে গেছেন তখনই বিজেপি নেতারা বলেছেন, তাঁরাই পুরো বিষয়টি দেখে নেবেন। জেলা বিজেপির নেতা শমিত দাস দাবি করেছেন, এই সব অভিযোগ মিথ্যা । পুলিশই কোনও সহযোগিতা করেনি তাঁদের সঙ্গে।