টানা বৃষ্টিতে শহরের ভেঙে পড়ল বাড়ি, আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়, সামাল দিল পুরসভা

0
820

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ টানা বৃষ্টিতে শহরের কর্ণেলগোলা চকের কাছে একটি ভগ্ন পরিত্যক্ত বাড়ী ভেঙে পরেছে। মঙ্গলবার সকালে বাড়িটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার শব্দে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ঐ বাড়িতে কেউ না থাকার কারণেহতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আবার বৃষ্টির জন্য রাস্তার উপর দিয়ে যাতায়াতের সংখ্যা ছিল কম। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সকালে বাড়িটি ভেঙে পড়ায় কোনও বিপদ ঘটেনি। একটু বেলার দিকে ঐ ঘটনা ঘটলে বড় বিপদই হত। ঐ রাস্তা দিয়ে স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা যাতায়াত করে। 

এদিন সকাল সওয়া ৮টা নাগাদ পরিত্যক্ত বাড়িটি ভেঙে রাস্তার উপর পড়ে যায়। একটি টোটো কয়েক জন যাত্রীকে নিয়ে যাওয়ার পরই রাস্তার উপর বাড়িটি ভেঙে পড়ে। খবর পেয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিল চন্দ্র দলবেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। ঘটনাটি তিনি জানান পুরপ্রধান প্রণব বসুকে। পুরপ্রধান সঙ্গে সঙ্গে দুটি জেসিবি এবং ডাম্পার পাঠিয়ে রাস্তার উপর ভেঙে পড়া বাড়ির সমস্ত ইট সহ অন্যান্য সামগ্রী সরানোর ব্যবস্থা ব্যবস্থা করেন। ঘন্টা তিনেক পর রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে বাড়িটি ভেঙে পড়ার পর শহরের অন্যান্য জায়গায় অনেক পুরনো ও পরিত্যক্ত বাড়িগুলি নিয়ে স্থানীয়রা সংশয়ে রয়েছেন। শহরের বহুপুরনো বাড়ি রয়েছে, যেখানে কেউ থাকেন না, সেগুলির ব্যাপারের যাতে পুরসভা পদক্ষেপ নেয় তার দাবি উঠেছে। এনিয়ে প্রণববাবু বলেন, কর্ণেলগোলা চকের উপর ঐ বাড়ি ভেঙে পড়ার পরই মেসিন পাঠিয়ে রাস্তা সাফাই করা হয়েছে। শহরের অন্যান্য জায়গায় থাকা এরকম ভগ্ন-পরিত্যক্ত বাড়িগুলি নিয়ে সব সময় বাড়ির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ বলেছেন বাড়ির শরিকরা অন্যত্র চলে গিয়েছেন, এখন ভগ্ন বাড়ি মেরামত করার সামর্থ্য নেই। আবার কেউ বলেছেন সংসার চালাতে পারছেন না, তাই বাড়ি সারাই করার মতো অবস্থায় নেই তাঁরা। কিন্তু স্থনীয়রা ভগ্ন বাড়ি নিয়ে অভিযোগ করলেই ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে দেখে নেওয়া হচ্ছে। তারপর বাড়ি সারাই করতে কিংবা ভেঙে সরিয়ে দিতে নোটিস করা হচ্ছে। কিন্তু বাড়ির মালিকরা গা করছেন না। তাই নোটিস করার পরও ভেঙে সরিয়ে না নিলে যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে তার সমস্ত দায় বাড়ির মালিকদের নিতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পুরপ্রধানরা।