বিজেপির তীব্র সমালোচনা, বেশি করে মানুষকে সভায় সামিল করার নিদান শুভেন্দু, সুব্রতর

0
621

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ দল আপনাকে নেতা করেছে, মন্ত্রী করেছে, প্রধান করেছে, কর্মাধ্যক্ষ করেছে, তাই দলকে হৃষ্টপুষ্ট করতে আরও বেশি করে সক্রিয় হন, বেশি বেশি করে মানুষের কাছে যান, দলের কথা বলুন, উন্নয়নের কথা বলুন। শনিবার ব্রিগেড সমাবেশের প্রস্তুতি সভায় এসে তৃণমূল কর্মীদের এভাবেই উজ্জীবিত করলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের সমর্থনে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয় শহরের জেলা পরিষদের প্রদ্যোৎ স্মৃতি সদনে। এই বৈথকে তৃণমূলের প্রথম সারির সমস্ত জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই জেলায় পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে উচিত জবাব দিতে ব্রিগেডের মাঠ ভরিয়ে তুলুন। শুধুমাত্র মিটিংয়ে এসে বক্তৃতা শুনলেই হবে না, বাড়ি গিয়ে নিজের বুথের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলুন, তাদের বিগ্রেড সমাবেশে সামিল করার জন্য ময়দানে নেমে পড়ুন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীও। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন- ব্যাক্তিগত নামে বা ছবি দিয়ে কোনও পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, ফ্লেক্স না হয়। ব্যানার ফেস্টুনে একমাত্র নেত্রীর নাম ও ছবি থাকবে। ব্রিগেড  সমাবেশ সফল করার জন্য জেলাস্তরের মিটিংয়ের পর ধাপে ধাপে ব্লক স্তর, অঞ্চল স্তর, পরে বুথ স্তরে একাধিক মিটিং মিছিল করতে হবে। কর্মীদের মনে করিয়ে দিয়ে সুব্রত বক্সী বলেন, ‘মোদীর প্রতি মানুষের মোহভঙ্গ হয়েছে, সেজন্যই ২০১৪ এর পরে প্রতিটি উপনির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে। মানুষ বুঝতে পেরেছে এই বিজেপি ধর্মে ধর্মে বিভেদ লাগিয়ে ভোটের ময়দানে ফায়দা তুলতে চাইছে, এরা ভারত ভাগের চক্রান্ত করছে। প্রতিটি এলাকার নেতাদের ফের মনে করিয়ে দিয়ে সুব্রত বক্সী বলেন, যেসব পুরনো কর্মী দল থেকে কোনও কারণে দূরে সরে গিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলুন, দলের কাজে নিযুক্ত করুন, তাঁদের উপযুক্ত সম্মান দিন। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরার কথাও বলেন রাজ্য সভাপতি। আরও বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রও । তিনি বলেন এই মিটিং-এ এসে থেমে থাকলেই চলবে না। প্রত্যেকে যে যত বড় নেতাই হন না কেন, নিজের বুথে গিয়ে মানুষের সঙ্গে মিশুন, তাঁদেরকে ব্রিগেড্রে সমাবেশে সামিল করুন। বৈঠকে ছিলেন সাংসদ মানস ভূঞ্যা, সভাধিপতি উত্তরা সিংহ, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি, তৃণমূল নেতা তমোনাশ ঘোষ ও সমস্ত বিধায়ক বৃন্দ।