কেন্দ্রের বিজেপি, রাজ্যের তৃণমূল সরকার সমঝোতা ধরে ক্ষমতায় রয়েছে : সূর্যকান্ত

0
80
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ সাধারণ মানুষ রুটিরুজির সন্ধান করতে পারছেন না, দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে। কেন্দ্রের বিজেপি এবং এরাজ্যের তৃণমূল সরকারের এসবের প্রতি হুঁশ নেই। দুই সরকার একে অপরের সঙ্গে সমঝোতা করে ক্ষমতায় রয়েছে বলে জানালেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি বলেন, নোট বন্দির পর বিজেপির সর্বোচ্চনেতা অমিত শাহের ছেলে এবং এরাজ্যে তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো কালো টাকা সাদা করে নিয়েছেন । কে কার বিচার করবে। এর বিরুদ্ধে বামপন্থী দলগুলিকেই আরও বেশি করে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ১৭ দফা দাবির ভিত্তিতে বাম সংগঠনগুলি জাঠা করছে। পুরুলিয়া জেলা থেকে শুরু হয়েছে। শেষ হবে কলকাতায়। শুক্রবার শালবনির মণ্ডলকুপি থেকে ভাদুতলা হয়ে বাড়ুয়া পরে মোহনপুর ব্রিজ পেরিয়ে মোহনপুরচক পর্যন্ত যায়। এই জাঠা কর্মসূচির মধ্যে তিন জায়গায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন বাম নেতৃত্ব। শাল্বনি বাজার, শহরের কলেজ রোড ও পরে মোহনপুরে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সূর্যকান্তবাবু বলেন, নোট বন্দির ফলে লক্ষ মানুষ কর্মচ্যূত হয়ে পড়েছে। আগামী দিনেও মানুষ আরও কাজ হারাবেন।
রাজ্যের তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে সূর্যকান্তবাবু বলেন, প্রতিবাদ আন্দোলন করতে গেলে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তবে যতই শাসক দল পুলিশ-প্রশাসনকে দিয়ে অত্যাচার বাড়বে, বামপন্থী আন্দোলন ততই তীব্রতর হবে। এদিন জাঠাতে পা মিলিয়েছিলেন সূর্যকান্তবাবু ছাড়াও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য দীপক সরকার, জেলা সম্পাদক তরুণ রায়, সিপিআইয়ের জেলা সম্পাদক সন্তোষ রানা, ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য নেতা নরেন চ্যাটার্জী প্রমুখ। খড়িকাশুলি গ্রাম থেকে বিশাল পদযাত্রা চন্দ্রকোনারোডে এসে শেষ হয়েছিল। ঐ পদযাত্রার মাঝে গড়বেতা বাজার ও চন্দ্রকোনারোডে দুটি পথসভায় নেতার বক্তব্য রেখেছিলেন। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের নানান ‘জনবিরোধী’ নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে ওই জাঠা চলেছে। জিএসটি ছাড়াও নোট বন্দির ফলে দেশের অর্থনীতি সংকট ও দুর্ভোগ, এরাজ্যে শাসকদলের সন্ত্রাস এসবের প্রতিবাদ জানিয়ে জাঠা কর্মসূচি নিয়েছে বামপন্থী সংগঠনগুলি।