দলনেত্রীর কোর্টে বল ঠেলে দিলেও লক্ষ্মণ শেঠকে তৃণমূলে নিতে তীব্র আপত্তি সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর

0
504

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ বুধবার রাতে এক সাক্ষাত্কারে সাফ জানালেন তমলুকের সাংসদ তথা মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী।

নন্দীগ্রামের মানুষের চোখের জল পড়বে এমন কোনও কাজ করতে দেবেন না। তাঁকে সমর্থন করবে না রাজ্যের পরিবহণ ও পরিবেশ মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।

দিব্যান্দুবাবু বলেন, ”রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি দলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। দলে তাঁকে নেওয়া যাবে কি না সেটা তিনি ঠিক করবেন। আমি সাংসদ হিসাবে মনে করি দলে যোগদান করা জন্য ওনার সেই যোগ্যতা নেই। উনি জনমানব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। আর ওনার অতীত ইতিহাস ওনাকে ক্ষমা করবে বলে আমি মনে করি না। কারণ বর্তমান প্রজন্মের কাছে উনি ব্রাত্য হয়ে গিয়েছে। অতীত ও বর্তমান সময় নিয়ে মানুষ অনেক বেশি জেনে গিয়েছেন। আর ওনার সম্বন্ধে যত কম বলা যায় ততই ভালো। তিনি প্রথমে সিপিএম থেকে ভারত নির্মাণ মঞ্চে, তারপর বিজেপিতে যোগদান করলেন। এখন অন্য রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নিতে চাইছেন। আশ্রয় নেওয়া ভাল। তবে যে দল তাকে নেবে তাকে ভুগতে হবে এটা আমি মনে করি।”

সম্প্রতি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের জন্য আবেদন জানিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা এক সময়ে রাজ্যের অন্যতম সিপিএম নেতা লক্ষ্মণ শেঠ। তৃণমূল তাঁকে নিয়ে শাসকদলের সঙ্গে কাজ করতে চায়। যদি না নেয় তাহলে কংগ্রেস দলে যোগদান করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন লক্ষ্মণ শেঠ। তৃণমূলে যাচ্ছে নাকি কংগ্রেসে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে লক্ষ্মণ শেঠ।