বিদ্যাসাগরের জন্ম দ্বিশত বর্ষ পালনে নানা কর্মসূচি সাক্ষরতা প্রসার সমিতির

0
1932

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের  জন্মের দ্বিশতবর্ষে রাজ্য জুড়ে তিন শতাধিক স্থানে আলোচনা সভা সংগঠিত হবে বলে ঘোষনা করলেন বঙ্গীয় স্বাক্ষরতা প্রসার সমিতির রাজ্য সম্পাদক অনুপ সরকার।এই উপলক্ষে  রাজ্যতে বিভিন্ন সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের নিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দ্বিশত জন্মবর্ষ উদ্ যাপন কমিটি  গঠিত হয়েছে। সেই ব্যানারে রবিবার মেদিনীপুর শহরে একটি আলোচনা সভা হয়।বিষয় বস্তু ছিল জন্মের দ্বিশতবর্ষে বিদ্যাসাগরের প্রাসঙ্গিকতা। আলোচনা করেন অধ্যাপক হরপ্রসাদ সমাদ্দার, অধ্যক্ষা মাকসুদা খাতুন, অধ্যাপক সুকুমার মাইতি। সভাপতিত্ব করেন স্বাক্ষরতা আন্দোলনের  নেতৃত্ব হরেকৃষ্ণ সামন্ত।
আলোচনা সভায় এমন সময়ে ইতিহাস নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে বিদ্যাসাগরের জীবন জীবনী,কর্মচিন্তা, আলোচনা অনুশীলন ও প্রচারের মধ্যদিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির ভারসাম্য পরিবর্তনের সংকল্প নেওয়া হয়।তার বর্নপরিচয় দিয়েই বর্নভেদ কে কবরে পাঠানো যায় সেই বার্তা উঠপ আসে।সমান অধিকার,নারীশিক্ষা, বিধবা বিবাহ প্রচলন, এমন চিন্তা ভাবনার কর্মপুরুষ যিনি মনে করতেন বায়ু,সূর্যের আলোক,বৃষ্টি, ও নদীর জল,এসমস্তও এরূপ আরোও আরোওবস্তুতে সকল লোকের সমান অধিকার। যাহা শ্রেনী বৈষম্য ভাঙতে তার চিন্তা ও সেই সময়কার দৃঢ়তা প্রকাশ করে।ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে  ও মানবতার পক্ষে তার চিন্তাধারা ও বার্তা তুলে ধরে বক্তাগন বলেন দরিদ্র ব্যাক্তিকে অভুক্ত রেখে মাটির প্রতিমাকে ষোড়শোপচারে পূজাকরাকে আমি যথার্থ  মনে করি না।এমন মহান মানবের চিন্তাধারা ও সমাজের দূর্বল মানু্ষের প্রতি তার কর্তব্যপালন ও কর্মধারা কে প্রসারিত করার লক্ষ্য নিয়েই তার জন্মের দ্বিশতবর্ষ পালন হবে বলে ঘোষিত হয়। মেদিনীপুর কলেজে বিবেকানন্দ অর্ডিটোরিয়ামে এই আলোচনা সভায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন।