বাজারে এখন বৈদ্যুতিক আলোর প্রাচুর্য, ব্রাত্য হচ্ছে মাটির প্রদীপ, হতাশায় শিল্পীরা

0
533

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ দুর্গাপুজোর পরি বাঙালি মেতে ওঠে দীপাবলি উৎসবে । তারই প্রস্তুতি চলছে বিভিন্ন মহলে। কালীমূর্তি তৈরির পাশাপাশি দেওয়ালি পুতুল, মাটির প্রদীপ, তুবড়ির খোল তৈরির কাজ চলছে জোর কদমে। তবে দিনকেদিন মাটির প্রদীপের চাহিদা কমে যাওয়াতে চিন্তিত প্রদীপ তৈরির শিল্পীরা। একদিকে মাটি এবং জ্বালানির কাঠের দাম যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে পরিবহণ খরচ। কিন্তু মাটির প্রদীপের চাহিদা কমে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ আগের মতো মাটির প্রদীপ কিনছে না। শহরের কুমোর পাড়ার গোবিন্দ দাসের আক্ষেপ বাজারে বৈদ্যুতিক আলো চলে এসেছে, তার পরেই রয়েছে মোমবাতির চাহিদা। এরপরে মাটির প্রদীপ কিনতে উৎসাহ দেখাচ্ছেন না অনেকেই। এছাড়া দীপাবলিতে মাটির প্রদীপ জ্বালাতে একটু হ্যাপা সামলাতে হয়। অথচ যখন তখন প্রদীপ নিভে যায়। তাই শহরে হয় রঙিন বৈদ্যুতিক বাতি কিংবা মোমবাতি দিয়েই দীপাবলি উৎসবে মাতছেন। আর এক মৃতশিল্পী জয়দেব পালের বক্তব্য মাটির দাম, জ্বালানির দাম যে হাতে বাড়ছে সে হারে মাটির প্রদীপের দাম বাড়ানো যাচ্ছে না, কারণ তাতে আরও বিক্রি কমে যাবে। তাই মাটির প্রদীপ বানানো অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছি, তুবড়ির খোল অন্যান্য মাটির জিনিসই বানাচ্ছি।